স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া: দীর্ঘ প্রচারের ফলে গ্রামীণ হাওড়ায় বন্যপ্রাণ সচেতনতা ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারই নিদর্শন স্বরূপ প্রায়শই,গ্রামীণ হাওড়ার বিভিন্ন ব্লক থেকে বন্যপ্রাণী উদ্ধার হয়ে বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়ার খবর মেলে। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ প্রাণীকে বন দফতরের হাতে তুলে না দিয়ে তার নিজস্ব পরিবেশে পুর্নবাসিত করার কথা বারবার বলছেন পরিবেশপ্রেমীরা।এবার সেই ভাবনাকে মান্যতা দিয়েই উদ্ধার হওয়া কচ্ছপকে বন দফতরের হাতে তুলে না দিয়ে সরাসরি নদীতে পুর্নবাসিত করল আমতার এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা।

সূত্রের খবর,গতকাল রাতে মাছ ধরতে গিয়ে একটি কচ্ছপ উদ্ধার করেন বাগনান থানার ভূঁয়েড়া গ্রামের বাসিন্দা দেবরাজ জানা।দেবরাজ তার প্রতিবেশী অভিজিৎ জানার মাধ্যমে আমতার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ’-এর সাথে যোগাযোগ করে।মঙ্গলবার সকালে সংস্থাটির প্রতিনিধিরা দেবরাজের বাড়ি থেকে প্রায় এককিলো ওজনের কচ্ছপটিকে উদ্ধার করে উদং কালীমাতা আশ্রমের ঘাট থেকে নদীতে ছেড়ে দেন।বিশিষ্ট প্রাণী গবেষক সৌরভ দোয়ারীর কথায়,”অসুস্থ,আহত,শাবক ছাড়া কোনো প্রাণীকেই বনদপ্তরের হাতে তুলে দিয়ে এলাকা ছাড়া উচিত নয়।তবে বিষাক্ত বা এলাকার মানুষের সাথে দ্বন্দ আছে এরকম প্রাণীর ক্ষেত্রে বনদপ্তরের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।এক্ষেত্রে এই সংস্থা যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তা সত্যিই অভিনন্দনযোগ্য।”

সম্প্রতি এক শিক্ষকও এও কাজ করেন। শ্যামল জানা বিগত তিন দিনে স্থানীয় এলাকা থেকে দু’টি তিলকাছিম (Indian flapshell turtle) উদ্ধার করেন। শ্যামল জানা জানান, ‘আশেপাশের অনেকে বনদফতরে তুলে দেওয়ার কথা বললেও আমি কচ্ছপ দু’টিকে তাদের নিজস্ব বাসস্থানে সংরক্ষণ করতে উদ্যোগী হই। এর জন্য বেশ কয়েকজন পরিবেশপ্রেমীর সাহায্য নিই।’ শ্যামল বাবু জানিয়েছিলেন,এলাকার একটি ঝোপঝাড় যুক্ত অঞ্চলের উপযুক্ত জলাশয়ে কচ্ছপ দু’টিকে পুনর্বাসিত করা হয়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ