কলকাতা: উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু যুব সমাজকে প্রকৃত সম্পদে পরিণত করার কথা বলেছন৷ তা না করতে পারলে সুযোগ হাতছাড়া হবে এ দেশের৷ প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার তিনি কলকাতায় ইনস্টিটিউটের অনুষ্ঠানে এসে ভাষণ দিতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করেছেন৷

সংখ্যাত্বত্তে মহলানবিশের ফলিত গবেষণায় গুরুত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে উপরাষ্ট্রপতি জানান, সংখ্যাত্বত্তই হল সুশাসনের প্রকৃত মেরুদন্ড এবং তা একান্ত আবশ্যিক পরিকল্পনা ও প্রকৃত মূল্যায়নের নজরদারির জন্য ৷

এদিন তিনি বলেন, জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য আমাদেরর প্রয়োজন নির্ণয়, যোগাযোগ এবং রবোটিক্স-এর বর্ম৷ তথ্য প্রয়োজন যাতে বেছে নেওয়ার সুয়োগ থাকে৷এজন্যই আমাদের সংখ্যাত্বত্তের প্রয়োজন, আমাদের দরকার সরঞ্জাম দরকার তা বিশ্লেষণ ও সংশ্লেষের জন্য৷’’

উপরাষ্ট্রপতি এদিন আরও বলেন,‘‘ ৬৫ শতাংশে বেশি জনগন হল ৩৫ বছরের কম বয়েসি৷ ডেমোগ্রাফিক পরিসংখ্যান গুরুত্বপূর্ণ যদি আমরা এই সম্ভাব্য সম্পদকে প্রকৃত সম্পদে পরিণত করতে পারি৷’’

আমরা যদি মানব সম্পদের এই জলাধার কাজে লাগিয়ে মানুষের মূলধনে পরিণত করতে ব্যর্থ হই সেক্ষেত্রে সুযোগ হাতছাড়া হবে এবং তাহলে এদেশে দারিদ্র, বৈষম্য, সামাজিক অস্থিরতা ও অনিশ্চিত বৃদ্ধির মতো বেশ কিছু আর্থ-সামাজিক ঘটনা ঘটবে৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।