রান্নায় হলুদ বা গোলমরিচ দু’টিরই বিশাল অবদান৷ এই দুটো উপকরণ ছাড়া বাঙালির রান্নাঘর সম্পূর্ণ হয় না৷ তবে শুধু রান্নায় স্বাদ ফেরাতে নয়, হলুদ এবং গোলমরিচের স্বাস্থ্যের উপরেও প্রভাব অপরিসীম। রান্নায় নিয়মিত হলুদ ও গোলমরিচ থাকলে যেসব সমস্যা আপনার কাছে ঘেঁষবে না, তা নিয়েই এবার আলোচনা৷

আরও পড়ুন: কী ক্ষতি করছে অ্যান্টিবায়োটিক, পড়ুন

ঠিক কতটা প্রয়োজনীয় হলুদ আর গোলমরিচ? শরীরের ব্যথা-বেদনা সারাতে হলুদের জুড়ি মেলা ভার। যে কারণে আগেকার দিনে কোনও ব্যথা হলে সেখানে হলুদ লাগাতে বলতেন ঠাকুমা-দিদিমারা। শরীরকে ভেতর থেকে সারিয়ে তোলে এই হলুদ। তার সঙ্গে গোলমরিচ যুক্ত করলে আরও তাড়াতাড়ি কাজ দেবে। কারণ, গোলমরিচের মধ্যে থাকা পাইপারিন কোষকে আরও সক্রিয় করে তোলে। দীর্ঘদিনের ব্যথা বা নার্ভ সংক্রান্ত যন্ত্রণাও সারিয়ে দেয় এই দুই মশলা৷

এমনকি আয়ুর্বেদে আর্থারাইটিসের যন্ত্রণা কমাতে হলুদের ব্যবহারের উল্লেখ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভুগলে তা শিরা-উপশিরাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তবে হলুদ ও গোলমরিচের মধ্যে থাকা কারকিউমিন এবং পাইপারিন শিরা-উপশিরার ওপর চাপ কমাতে সাহায্য করে৷ পাশাপাশি রক্তে শর্করার পরিমাণও নিয়ন্ত্রণে রাখে৷

এছাড়া আপনি অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চিন্তায় ভুগছেন? খাওয়া কমিয়ে, ব্যায়াম করেও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছেন না? রোজ রান্নায় হলুদ ও গোলমরিচ রাখুন। এই দুই এক সঙ্গে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি গলাতে সাহায্য করে। তবে রোজ সকালে খালি পেটে হলুদ, গোলমরিচ এবং আদাবাটা গরম জলে মিশিয়ে খেতে হবে৷ তবেই আপনি সেই উপকার পাবেন৷

আরও পড়ুন: কিভাবে সাজাবেন বুক শেলফ? এক ক্লিকেই টিপস হাজির…

তবে এই সবের ঊর্ধ্বে হলুদ ও গোলমরিচ এক সঙ্গে ক্যানসারের বিরুদ্ধেও লড়তে পারে। হলুদের মধ্যে থাকা কারকিউমিন ক্যানসার সেল ধ্বংস করে৷ বিশেষ করে স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে হলুদের ভূমিকা বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ৷ এবার শরীরকে সুস্থ করে তুলতে ওষুধপত্রের সঙ্গে খেতে থাকুন হলুদ ও গোলমরিচ৷

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।