এথেন্স ও আংকারা: করোনাভাইরাস হামলা করছে তাতে কুছ পরোয়া নাই। বরং সাগরের তলায় তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার কার থাকবে তা নিয়েই রণহুঙ্কার গ্রিস ও তুরস্কের। দু পক্ষের সেনা ও নৌ বাহিনি তাল ঠুকতে শুরু করেছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, ভূমধ্যসাগরে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ঘিরে সম্প্রতি গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। এর মধ্যে আইওনিয়ান সাগরে আঞ্চলিক জলসীমা দ্বিগুণ করার বিষয়ে গ্রিসকে সতর্ক করল তুরস্ক।

গ্রিক প্রধানমন্ত্রী ক্রিয়াকোস মিতসোটাকিস জানিয়েছেন, আইওনিয়ান সাগরে গ্রিসের জলসীমা দ্বিগুণ করার পদক্ষেপ নিতে বিল জমা পড়েছে পার্লামেন্টে। তাঁর মন্তব্যের পরেই তুরস্ক সরকার জানাল, জলসীমা ৬ নটিক্যাল মাইল থেকে বাড়িয়ে ১২ নটিক্যাল মাইল বৃদ্ধি করা হলে যুদ্ধের কারণ হবে। তুরস্কের বিদেশমন্ত্রী গ্রিসকে সতর্ক করেছেন।

তিনি বলেন, গ্রিস যদি এমন পদক্ষেপ নেয় তাহলে এটি যুদ্ধের কারণ হতে পারে। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে এখন গ্রিক ও তুর্কি নৌ সেনা পরস্পরের মুখোমুখি। গ্রিস কে সমর্থন করছে ফ্রান্স।

আল জাজিরা জানাচ্ছে, সম্প্রতি পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মিসর ও সাইপ্রাস বড় জ্বালানি খনির সন্ধান পেয়েছে। এর পর তুরস্ক এই এলাকায় প্রাকৃতিক সম্পদের খোঁজ তৎপর হয়।

এই নিয়ে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। এই সামুদ্রিক অঞ্চলে গ্রিসেরও নজর আছে। সাইপ্রাসের মতো তারাও অনুসন্ধান চালায়। আর শক্তিশালী তুরস্ক আগে থেকেই হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।