স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ কিংবা ‘ফেরাতে হাল ফিরুক লাল’, নয়৷ রবিবার ব্রিগেডমুখী বাম সমর্থকদের একটা বড় অংশ মজল ‘টুম্পা সোনা’তেই৷ জনপ্রিয় এই প্যারোডি গাইতে গাইতেই ধর্মতলা পৌঁছলেন তাঁরা৷ তাঁদের গলায় ঝুলতে দেখা গেল ‘এসে গেছি টুম্পা’ লেখা প্ল্যাকার্ড৷

বাংলার ভোটযুদ্ধে ‘খেলা হবে’, ‘পিসি যাও’র পাশাপাশি অন্যতম জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সিপিএমের প্যারোডি ‘টুম্পা সোনা’।  বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোটের ব্রিগেডের সঙ্গী সেই ‘টুম্পা’ই।  শনিবার একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন বাম সমর্থক তথা অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। যাতে তিনি ‘টুম্পা’ প্যারোডির গুরুত্ব, জনপ্রিয়তা নিয়ে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শ্রীলেখার বাবা নিজে গানটি শুনছেন। গান শোনার পর তাঁর প্রতিক্রিয়া, ”একটা মজার গান। এ নিয়ে সমালোচনা করার কিছু নেই।” পাশাপাশি তাঁকে এও বলতে শোনা গেল, ”তবে সিপিএম এমন একটা পার্টি, যাদের একটা আদর্শ আছে, নীতি আছে।”

সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে যুব সম্প্রদায়ের পছন্দ-অপছন্দ বুঝে নিতে হবে, তা দিব্যি টের পেয়েছে রক্ষণশীল বাম নেতৃত্ব। তাই দলের পক্ককেশীদের সোশ্যাল মিডিয়াতেও শেয়ার হয়েছে ‘টুম্পা সোনা’৷ পাড়ার পিকনিক কিংবা মাচার এই জনপ্রিয় গান ব্রিগেডের আগে বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে লাল ব্রিগেডকে৷

এপ্রসঙ্গে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, ‘কার্টুন, প্যারোডি, ছড়া এগুলো তো বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। বরাবরই ভোটের সময় এগুলো ব্যবহার হত। সেগুলো সরিয়ে দিয়ে কুকথার বন্যা বইয়ে দিচ্ছে তৃণমূল আর বিজেপি। তারচেয়ে জনপ্রিয় ভঙ্গিতে মানুষের কাছে যদি এগুলো পৌঁছে দেওয়া যায়, তাহলে খারাপ কি?’ প্যারোডি মেকারদের ফুল মার্কস দিচ্ছেন সুজন চক্রবর্তী। তাঁর কথায়, ‘যারা করেছে ভালোই করেছে। আগে দেওয়ালে কার্টুন আর ছড়া লেখার প্রতিযোগিতা চলত। এখন সেটা দেওয়াল দখলে পরিণত হয়েছে। তার চেয়ে বরং এভাবে সংস্কৃতির নানা আবহ ব্যবহার করাটাই ভালো।’

উনিশের লোকসভা ভোটের আগেও ব্রিগেড সমাবেশ করেছিল বামেরা। একুশের ভোটে অবশ্য রাজনৈতিক সমীকরণ খানিকটা বদলেছে। একা বাম নয়, এবার ব্রিগেডের মেগা প্রচারে রয়েছে বাম, কংগ্রেস, ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতারা। কারণ, এই তিন দল এবার জোট বেঁধে তৃণমূল-বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ছে। জনসভায় টার্গেট ১০ লক্ষ। বাম কর্মী, সমর্থকদের ইতিমধ্যেই বার্তা দেওয়া হচ্ছে – ‘আপনি আসুন, সঙ্গে আরও ২ জন।’ রবিবার ব্রিগেডের ভিড় বলছে, সেই বার্তা ঠিকমতোই সাধারণ মানুষের কানে পৌঁছেছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।