ভেলোর: যশবন্তপুর-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস থেকে কার্যত ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হল এক টিকিট চেকারকে৷ মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে কাটপাদি স্টেশনের কাছে৷ ওই টিকিট চেকারের নাম সন্তোষ কুমার৷ বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা তিনি৷

পুলিশ সূত্রে খবর, ট্রেনের S12 কোচে ঘটনাটি ঘটে৷ ট্রেনে তিনি রুটিন চেকআপে উঠেছিলেন৷ ২ জন যাত্রীর কাছে উপযুক্ত পরিচয়পত্র ছিল না৷ অনলাইনে টিকিট বুক করলে পরিচয় পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক৷ তা না হলে যাত্রীদের জরিমানা করা হয়৷ এক্ষেত্রেও এমন ঘটনাই ঘটেছিল৷

ওই যাত্রীরা ওড়িশা থেকে আসছিলেন৷ ২ জনের সঙ্গে আরও ৪ জন ছিল৷ অভিযোগ তারা সন্তোষ কুমারের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে৷ আর তারপরই তাঁকে ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়৷ সৌভাগ্যবশত ট্রেনের গতি তখন খুব একটা বেশি ছিল না৷ তাই তাঁর খুব বেশি চোট লাগেনি৷ অল্পের উপর দিয়ে রক্ষা পেয়েছেন তিনি৷

ঘটনার পর সন্তোষ কুমার কাটপাদি রেলস্টেশনে অভিযোগ জানান৷ কিন্তু তখন ট্রেন সেই স্টেশন ছাড়িয়ে বেরিয়ে গিয়েছিল৷ ফলে ঘটনার কথা তিরুপতি রেলস্টেশনকে জানানো হয়৷ ট্রেন যখন চিত্তোর রেল স্টেশনের কাছে, তখন অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে পাকড়াও করা হয়৷ তার নাম মানিক৷ বয়স ১৯ বছর৷ তাকে কাটপাদি স্টেশনে নিয়ে আসা হয়৷ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷ বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.