তিরুমালা : ভগবান রামচন্দ্রের একনিষ্ঠ সেবক হিসেবে হনুমানের নাম সর্বজনবিদিত। লঙ্কারাজ রাবণের হাত থেকে মা সীতাকে রক্ষা করতে কী কান্ডটাই না- করেছিল হনুমান সে গল্পও কারও অজানা নয়।

তবে পৌরাণিক কাহিনীর এই ভগবান হনুমানের জন্মস্থান নিয়ে রয়েছে দ্বিমত। ভগবান হনুমানের আসল জন্মভূমি ঠিক কোনটা তা নিয়েও চলেছে বিস্তর আলোচনা গবেষণা। তবে যাবতীয় জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে হনুমানের আসল জন্মভূমি হিসেবে অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের তিরুপতি শহরের তিরুপতির সাত পাহাড়িয়ার অঞ্জনাদ্রিকেই সিলমোহর দিল তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম (TTD) -র বিশেষজ্ঞ দল।

এই বিষয়ে বুধবার রামনবমীর পূণ্যলগ্নে টিটিডির বিশেষজ্ঞ দল তিরুপতির অঞ্জনাদ্রিকেই ভগবান হনুমানের জন্মস্থান বলে ঘোষণা করেছেন। তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের আধিকারি জওহর রেড্ডি বলেছেন তাঁর কাছে পৌরাণিক আর পুরাতাত্ত্বিক প্রমাণ আছে৷ এর দ্বারা প্রমাণ হয় তিরুপতির অঞ্জনাদ্রিতে ভগবান হনুমানের জন্ম৷

অন্যদিকে, টিটিডি’র এই ঘোষণায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল ভানওয়ারিলাল পুরোহিত। বুধবার রাজ্যের নদা নীরজানা মণ্ডপমে রামনবমীর একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে তিনি বলেন, ” আমি নিজেও একজন হনুমান ভক্ত। টিটিডি’র বিশেষজ্ঞ দল অঞ্জনাদ্রিকে ভগবান হনুমানের আসল জন্মস্থান হিসেবে ঘোষণা করায় ভীষণ খুশি আমি। ”

তিনি আরও বলেন, “তামিলনাড়ুর ২০ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হিসাবে, আমি জানি গবেষণা এবং প্রমাণ উপস্থাপন করা কতটা কঠিন এবং ক্লান্তিকর একটা কাজ। আমি এর জন্য পুরো পণ্ডিত দলকে অভিনন্দন জানাই। যারা হনুমানের জন্মস্থান আবিস্কারের জন্য চার মাস ধরে দিনরাত এক করে কাজ করেছেন।” এদিন তিনি তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে আরও বলেন যে, “অযোধ্যা হল শ্রী রামের জন্মস্থান এবং অঞ্জনাদ্রি হল হনুমানের জন্মস্থান। ”

এই বিষয়ে টিটিডি কমিটির অন্যতম সদস্য তথা উপ পরিচালক বিজয় কুমার (আরটিডি) বলেন, ” তিরুমালার এই জায়গাটি একটি অত্যন্ত প্রাচীন স্থান এবং ঐতিহাসিক স্থানও বটে। অঞ্জান্দ্রির এই শেশাচলা পাহাড়েই প্রভু হনুমানের জন্ম হয়েছিল। আমরা এই বিষয়ে প্রমাণও জমা করেছিলাম।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.