ওয়েলিংটন : স্থানীয় সময় তখন শুক্রবার রাত ২.২৭। বড়সড় কম্পনে কেঁপে ওঠে নিউজিল্যান্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৯ (6.9 quake)। সঙ্গে সঙ্গে সুনামি সতর্কতা (Tsunami warning) জারি করে আবহাওয়া দফতর। নিউজিল্যান্ডের নর্থ আইল্যান্ডে এই কম্পন অনুভুত হয়। তবে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।

গিসবোর্নের ১৮০ কিমি উত্তর পূর্বে ছিল কম্পনের উৎসস্থল। মাটি থেকে ১০ কিমি গভীর থেকে ভূমিকম্প হয় বলে জানাচ্ছে ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে। দ্রুত সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। সতর্ক বার্তা দেওয়া হয় নর্থ আইল্যান্ডের ৫০ হাজার মানুষকে। নর্থ আইল্যান্ডে সুনামি সতর্কতা জারি করে প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার। তবে পরে তা তুলে নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে জানানো হয়, প্রায় এক মিটার উঁচু ঢেউ উঠতে পারে।

গিসবোর্নের বাসিন্দাদের জন্য সতর্ক বার্তা জারি করা হয়। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে তৈরি থাকতে বলা হয়। পরে অবশ্য সেন্টার জানায়, আপাতত সুনামির সম্ভাবনা নেই। নিরাপত্তার কারণে যে বাসিন্দাদের সরিয়ে ফেলা হয়েছিল, তাদের ফের বাড়ি ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। উল্লেখ্য সুনামি সতর্কবার্তা পৌঁছয় প্রধানমন্ত্রী জ্যাকিন্দা আর্ডেনের কাছেও। তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লেখেন সুনামি সতর্কতা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বড় বিপদ এড়াল নিউজিল্যান্ড। আশা করা যায় সবাই নিরাপদে ও সুস্থ রয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় ভূমিকম্পের জেরে সৃষ্টি হয় সুনামির। ভূমিকম্পের পর থেকেই সুনামির আশঙ্কায় কাঁপছিল ছোট ছোট দ্বীপ এলাকাগুলি। তবে জানা যায় সুনামি হলেও, দ্বীপগুলির ওপর তেমন কোনও প্রভাব পড়েনি বা বড় মাত্রায় তেমন কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই।

ভূমিকম্পের তীব্রতা রিখটার স্কেলে ছিল ৭.৭। নিউ ক্যালেডোনিয়ার পূর্ব দিকে ভাও থেকে ৪১৫ কিমি দূরে ও সমুদ্রপৃষ্ঠের ১০ কিমি গভীরে ছিল এই কম্পনের উৎসস্থল। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে ভূমিকম্পের পরেই এই সুনামির সতর্কতা জারি করেছিল। জানানো হয়েছিল ভূমিকম্পের পাঁচ ঘন্টার মধ্যেই সুনামি আছড়ে পড়তে পারে। ফিজি, নিউজিল্যান্ড ও ভানুয়াতুতে প্রায় ০.৩ মিটার থেকে এক মিটার উঁচু ঢেউ উঠতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।