ওয়াশিংটন: কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্ততা নিয়ে আরও একবার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই বিষয়ে ভারতের এক কূটনীতিক সোমবার মন্তব্য করেছেন,”কাশ্মীর নিয়ে ট্রাম্পের মধ্যস্ততার ব্যাপারটি অস্তিত্ব হারিয়েছে।”

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় দূত হর্ষ বর্ধন শ্রীংগলা জানিয়েছেন, কাশ্মীর নিয়ে আমেরিকার বহুযুগ পুরনো নীতি হল কোন মধ্যস্ততা না করা কিন্তু দুই দেশের পার্থক্যকে দ্বিপাক্ষিকভাবেই ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে মিটিয়ে ফেলা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে হর্ষ বর্ধন শ্রীংগলা জানিয়েছেন, “প্রেসিডেণ্ট ট্রাম্প পরিষ্কার করেছেন কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্ততার প্রস্তাবের ব্যাপারটা পুরোপুরি ভারত ও পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীল। যেহেতু ভারত এই মধ্যস্ততার বিষয়টি গ্রহন করে নি তাই তিনি জানান কাশ্মীর নিয়ে ট্রাম্পের মধ্যস্ততার ব্যাপারটি অস্তিত্ব হারিয়েছে।”

জুলাইয়ের ২২ তারিখ পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তাঁর যৌথ প্রেস কনফারেন্সে হোয়াইট হাউস থেকে জানিয়েছিলেন, কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ বা মধ্যস্ততা চেয়েছিলেন।

এই ঘটনার ঠিক পরেই ভারত তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করে জানায় এই ধরনের কোন অনুরোধ ভারতের তরফে করা হয়নি। এই বিষয়টি সম্পূর্ণ দ্বিপাক্ষিক যা ওই পদ্ধতিতেই মিটবে। ঠিক এক সপ্তাহ পরে প্রেসিডেণ্ট জানান তিনি তবেই হস্তক্ষেপ করবেন যদি বাকি দুই দেশ তা চায়। যদি তাঁরা নিজেরা এই সমস্যার সমাধান করতে না পারেন তবেই তিনি এই বিষয়ে মাথা গলাবেন।

কাশ্মীর নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমেরিকাকে এই বিষয়ে জানানো হয়নি। অগাস্টের ৭ তারিখ এমনটাই জানানো হল আমেরিকার তরফে। কোনও কোনও সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে আমেরিকাকে জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত।

এদিন ওয়াশিংটনের তরফ থেকে স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক আধিকারিক ট্যুইট করে জানান, আমেরিকার কাছে কোনও তথ্য ছিল না। স্পষ্ট লেখা হয়েছে যে, আমেরিকার সরকার কাশ্মীরের স্পেশাল স্টেটাস তুলে নেওয়ার বিষয়ে কিছু জানত না। অগাস্টের ৫ তারিখ সোমবার কয়েকটি রিপোর্টে বলা হয় যে, আমেরিকাকে জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।