ওয়াশিংটন: ইমপিচ হলেও তাতে যেন কোনও ভ্রক্ষেপ নেই বরং পাল্টা চাপ দিতে দেখা গেল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৷ মার্কিন ইতিহাসে ট্রাম্পই হলেন তৃতীয় প্রেসিডেন্ট যাঁকে ইমপিচ করেছে মার্কিন কংগ্রেসের হাউস অব রিপ্রেজ়েন্টেটিভস। তিনি দ্রুত এই মামলা যেন সারা হয়৷

বুধবার এমন ঘোষণার পরের দিনেই উল্টে ট্রাম্প তাঁর দলীয় সতীর্থদের উপর চাপ বাড়ালেন, যাতে সেনেটে এই ইমপিচমেন্ট মামলা দ্রুত শেষ হয়। হাউসের সিদ্ধান্তের পরে এই ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়ার পরে ধাপে মামলাটি যাবে সেনেটে। এই সেনেট আবার রিপাবলিকানদের দখলে। তারফলে ডেমোক্র্যাট অধ্যুষিত হাউসে ইমপিচমেন্ট নিয়ে ভোটাভুটির যে রকম ফল হয়েছিল, সেনেটে তেমনটা হবে না বলেই অভিমত রাজনৈতির বিশ্লেষকদের। সেটা ভাল করে আঁচ করেছেন কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট সদস্যরাও।

এদিকে, ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব হাউস থেকে কবে সেনেটে পাঠানো হবে সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি হাউসের স্পিকার তথা ডেমোক্র্যাট নেত্রী ন্যান্সি পেলোসি। তাছাড়া হাউস ডেমোক্র্যাটদের বক্তব্য, সেনেটে ইমপিচমেন্ট মামলা আদৌ ঠিক পথে চালিত হবে কি না সে ব্যাপারে কোনও আশ্বাস তাঁরা যত ক্ষণ না পাচ্ছেন, তত ক্ষণ ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব সেনেটে যাবে না।

আর এই অবস্থার সুযোগটাই যেন লুফে নিয়েছেন ট্রাম্প। ফলে বৃহস্পতিবার তিনি টুইট করে প্রশ্ন তোলেন,কেন ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবও এখনও সেনেটে পাঠিয়ে উঠতে পারা গেল না। তিনি সাফ জানান, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মামলা যেন শেষ করা হয়। কারণ হাউসের আরও অনেক কাজ রয়েছে ৷ সেনেটের রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেলের বক্তব্য, হাউসের এমন গড়িমসি ইঙ্গিত করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে থেকেই ডেমোক্র্যাটেরা প্যাচ কষে রেখে ছিল তাঁকে ইমপিচ করার। তাই গত তিন বছর ধরে তাঁরা ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার সুযোগ খুঁজছিলেন। এত দিনে তা পেয়ে, বুঝে উঠছেন এবার কেমন ভাবে এগোবেন৷ এদিকে হোয়াইট হাউস সূত্রের খবর, সেনেটে এই ইমপিচমেন্ট মামলায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কোশলী রিপাবলিকান আইনজীবী প্যাট কিপোলোন।

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দু’টি অভিযোগ। প্রথমটি হল আগামী নির্বাচনে তিনি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী, ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য ইউক্রেনকে চাপ দিয়েছিলেন। দ্বিতীয়টি হল-মার্কিন কংগ্রেসে তাঁর বিরুদ্ধে চলা তদন্তে তিনি বাধা দিয়েছেন।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV