ওয়াশিংটন: ভুল সংবাদ পরিবেশন করায় ফের মিডিয়ার বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকের খবরকে ভিত্তিহীন ও ভুয়ো বলে দাবি করেন তিনি৷ টুইট করে এই খবর জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷

টুইট করে ডোনাল্ড ট্রাম্প লেখেন, উত্তর কোরিয়ার শাসক পরমাণু ক্ষেপনাস্ত্র ও মিসাইল পরীক্ষা করা থেকে সরে এসে আমার সঙ্গে বৈঠকে বসতে চাইছেন৷ এমন খবর শোনার পর সকলেই চমকে গিয়েছে৷ মিডিয়াও অবাক হয়ে গিয়েছে৷ কিন্তু পরের দিন সকালে জানা যায় খবরটি ভুয়ো৷ মিডিয়ার অবশ্য এতে কিছু এসে যায় না৷

বৃহস্পতিবার জানা গিয়েছিল অবশেষে একে অপরের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জং৷ আমেরিকা ও দক্ষিণ কোরিয়া মিলিতভাবে এই খবর প্রকাশ করেছে৷ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে যে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি চলছে, তা বন্ধ করতে একটি সিদ্ধান্তে আসতে চায় দুই দেশ৷ তাই এই আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে৷

দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল সিকিউরিটি ডিরেক্টর চুং ইউয়ি-ইয়ং সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউসের তরফ থেকেই এই সামিটের পরিকল্পনা করা হয়েছে৷ জানা গিয়েছে, শুধু ট্রাম্প ও কিম নয়, সেখানে উপস্থিত থাকবেন উচ্চ পদস্থ কর্তারাও৷ প্রসঙ্গত, উত্তর কোরিয়া ও আমেরিকার মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নেয় দক্ষিণ কোরিয়া৷

উত্তর কোরিয়া ও আমেরিকার মধ্যে দীর্ঘ সাত দশক কোনও আলোচনা হয়নি৷ এই দুই দেশ কোনও সাধারণ কূটনৈতিক আলোচনাও করেনি৷ ১৯৫০-৫৩ সালের যুদ্ধের পর থেকে এই দুই দেশের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ৷ ফলে এই খবর দাবালনের মতো ছড়িতে পড়তে একদিকে যেমন বিস্মিত হয় গোটা দুনিয়া, অপরদিকে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বেশ কিছু দেশ৷

চুং জানিয়েছেন, কিম বলেছেন পারমাণবিক অস্ত্রের সবরকম পরীক্ষা থেকে তিনি বিরত থাকবেন৷ এপ্রিলে আলোচনায় বসতেও রাজি হয়েছেন তিনি৷ ট্রাম্পের সঙ্গে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দেখা করতে চান কিম৷ হোয়াইট হাউজের তরফে জানানো হয়েছে, মে মাসের মধ্যেই ট্রাম্প কিম জংয়ের সঙ্গে দেখা করবেন৷ তবে কিম ও ট্রাম্প কোথায় দেখা করবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি৷ এনিয়ে চুংও মুখ খোলেননি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।