ওয়াশিংটন: ফের আরও কিছুটা মার্কিন মুলুকে কর্মরত ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের দুশ্চিন্তা বাড়ালো ট্রাম্প প্রশাসন। কেননা সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বিষয়ে একটি এক্সিকিউটিভ অর্ডারে স্বাক্ষর করেছেন। যার ফলে ‌ মার্কিন ফেডারেল এজেন্সি গুলি এইচ ওয়ান বি ভিসা ভিসার ক্ষেত্রে আমেরিকায় থাকা বিদেশি নাগরিকদের কাজে নিতে পারবে না।

এর আগে ২৩ জুন ট্রাম্প প্রশাসন এইচ ওয়ান বি ভিসা সহ অন্যান্য বিদেশি কর্মী ভিসাগুলি সাসপেন্ড করেছিল। তখন বলা হয়েছিল,২০২০ সালের শেষ পর্যন্ত এই সাসপেনশন বহাল থাকবে। বহু ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী এখন এইএইচ ওয়ান বি ভিসা নিয়েই আমেরিকায় গিয়ে কাজ করছে। আমেরিকার এইসব টেক সংস্থাগুলি প্রতি বছর ভারত এবং চিন থেকে আসা বহু তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীকে নিয়োগ করে থাকে।

সোমবার এই বিষয়ে স্বাক্ষর করার আগে হোয়াইট হাউজে সাংবাদিক বৈঠক করতে গিয়ে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আমেরিকানরা যাতে এখানে ভালোভাবে বাস করতে পারে তা নিশ্চিত করার জন্যই এমন ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বিদেশ থেকে সস্তায় কর্মী নিয়ে এসে কাজ করিয়ে নিয়ে মার্কিন সংস্থাগুলি স্থানীয় নাগরিকদের চাকরির বাজার খারাপ করে দিচ্ছে। সেটা তিনি চান না বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।

যদিও পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন, খুব তাড়াতাড়ি অভিবাসন বিল নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু হবে। তবে সেটা পুরোপুরি যোগ্যতার ভিত্তিতে হবে । অর্থাৎ সেটা যে কোন কর্মীর পক্ষেই সুযোগ হিসেবে আসবে। তবে যারা এখানে কাজ করতে আসবে তাদের এদেশে আইন মেনে থাকতে হবে এবং এ দেশকেও ভালবাসতে হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

এদিকে আগামী নভেম্বর মাসে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। সেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। এই বাইডেন অবশ্য ইতিমধ্যেই বলেছেন, ক্ষমতায় এলে ট্রাম্পের জারি করাএইচ ওয়ান বি ভিসার সাসপেনশন তিনি তুলে দেবেন। ট্রাম্পের তুলনায় তিনি বিদেশিদের আমেরিকায় কাজ করার ব্যাপারে অনেক নমনীয় মনোভাব দেখাচ্ছেন। কারণ বাইডেনের অভিমত, এই বিদেশিরা যারা আমেরিকায় কাজ করছেন, তাদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভালোই হয়েছে। তাই তিনি চান,এইচ ওয়ান বি ভিসা সহ অন্যান্য যেসব ভিসায় কোপ পড়েছে সেগুলিকে সরিয়ে ওই সব বিদেশি কর্মীদের মার্কিন সংস্থাগুলিতে কাজে লাগাতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।