নিউইয়র্ক: ইতিমধ্যেই করোনা ভাইরাসের আক্রমণে মৃত্যুর নিরিখে চিনকে ছাপিয়ে গিয়েছে আমেরিকা। ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্ত হয়ে আমেরিকায় ৩৮০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

আমেরিকায় ইতিমধ্যেই ১ লক্ষ ৮৫ হাজারের বেশি মানুষের করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। সম্প্রতি একটি ঘোষণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, আগামী দুই সপ্তাহ আরো যন্ত্রনাদায়ক হতে চলেছে।

বিশেষজ্ঞ মহলের ব্যাখ্যা, চিকিৎসা ব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নত থাকা সত্ত্বেও কিছুতেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে পারছে না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই ঠিক কতটা কঠিন হয়ে পড়েছে তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘোষণা থেকেই পরিষ্কার।

দেশে করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহতার কথা পর্যালোচনায় পরেই দেশজুড়ে একমাস লকডাউন জারির সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রসাশনের আশঙ্কা, দেশে লকডাউন আরো একমাস বাড়ানো হলেও তাতেও কাজ হবে না।

সামাজিক দূরত্ব মেনে চললে ও আমেরিকায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। মার্কিন প্রশাসনের আশঙ্কা, কোভিড ১৯ এর আক্রমণে আমেরিকায় ১ থেকে ২.৪ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

করোনা রুখতে প্রাথমিকভাবে ১৫ দিনের জন্য যে ‘সামাজিক দূরত্ব’ চালু করা হয়েছিল, তার মেয়াদ সোমবার শেষ হয়েছে। ট্রাম্প আগে জানিয়েছিলেন, তারপর দেশের কিছু অংশে নিয়মকানুন শিথিল করা হবে। কিন্তু পরিস্থিতির ভয়াবহতার গুরুত্ব বুঝে তা করা সম্ভব হয়নি। উল্টে লকডাউন এক মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

দিন কয়েক আগেই একটি ঘোষণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, করোনা ভাইরাসের আক্রমণের জেরে এসে এক লক্ষের মধ্যে মৃত্যু আটকে রাখতে পারলে ভাববো আমার প্রশাসন খুব ভালো কাজ করেছে। এবার এবার তিনি জানালেন, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই আরও কঠিন থেকে কঠিনতর হতে চলেছে। এই প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আগামী দুই সপ্তাহ আরো যন্ত্রনাদায়ক হতে চলেছে। অর্থাৎ মারণ করোনার ছোবলে আরও মৃত্যুর আশঙ্কা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নাগরিকরা যদি আরও কঠোরভাবে নির্দেশিকা না মানেন তাহলে আরও বড় বিপদ অপেক্ষা করে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য।