ওয়াশিংটন: মার্কিন সেনাবাহিনীতে সীমিত পরিস্থিতিতে থাকতে পারবেন রূপান্তরকামীরা৷ তবে তিনি যে রূপান্তরকামীদের বিরোধী, এ অবস্থান অনেক আগেই স্পষ্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এর আগেই, তিনি জানিয়ে ছিলেন মার্কিন সেনাবাহিনীতে রূপান্তরকামীদের রাখা হবে না। সেনাবাহিনীর প্রধানকে টুইট করে এই নির্দেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ এই রূপান্তরকামীদের রাখলে চিকিৎসা খরচ বেড়ে যায় এবং কাজে বিঘ্ন ঘটে বলে মত ছিল তাঁর৷

এ বার কার্যক্ষেত্রেও তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন তিনি। মার্কিন সেনাবাহিনীতে থাকা অধিকাংশ রূপান্তরকামী জওয়ানের ওপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে নির্দেশিকা জারি করলেন তিনি।

পড়ুন: ভারতের সাহায্য ছাড়া হবে না CPEC: মেনে নিল পাকিস্তান

হোয়াইট হাউস থেকে এই সংক্রান্ত একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিশেষ কিছু পরিস্থিতি ছাড়া রূপান্তরকামীরা মার্কিন সেনাবাহিনীতে থাকতে পারবেন না৷

বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ‘জেন্ডার দিসফোরিয়া রোগে আক্রান্ত’ জওয়ানরা বাহিনীতে থাকতে পারবেন। তাঁদের জন্য বিশেষ চিকিৎসা ব্যবস্থারও আয়োজন করা হবে। ট্রাম্পের মতে, রূপান্তরকামীরা সেনাবাহিনীতে থাকলে বাহিনীর কাজে ও মানসিকতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

ইতিমধ্যেই এই নির্দেশিকার পরে বিভিন্ন মহল থেকে বিরোধিতা আসতে শুরু করেছে। ডেমোক্র্যাট নেতা ন্যানসি পেলোসি টুইট করে বলেন, রূপান্তরকামী হওয়ার অপরাধে কারও সাহসিকতা আর শক্তিকে যদি অগ্রাহ্য করা হয় তা হলে তা নিন্দনীয়৷ রূপান্তরকামী মানুষদের অপমান করার জন্য এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পড়ুন: “মোটা টাকার বিনিময়ে আমার কাছে যৌনতা চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট”

ট্রাম্পের তীব্র বিরোধিতা করেছে দেশের সর্ববৃহৎ এলজিবিটি সংস্থা ‘দ্য হিউমান রাইট্‌স ক্যাম্পেন।’ সেনাবাহিনীতে তাদের নিয়ে কুসংস্কার ঢোকানোর চেষ্টা করছেন ট্রাম্প, এমনই অভিযোগ করা হয়েছে।”
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সেনাবাহিনীতে রূপান্তরকামীদের ওপরে নিষেধাজ্ঞা তুলে দেন বারাক ওবামা।

২০১৭ সালেই জুন মাসে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল৷ পেন্টাগন অবশ্য জানিয়ছিল, রূপান্তরকামীদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী সিদ্ধান্ত বদল করতে পারে। সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁদের নিয়োগ করা হবে কিনা তা নিয়ে সেনাবাহিনীই সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যদিও এই বিষয়ে রিপাবলিকানদের কিছু আপত্তি ছিল বলে খবর।