নিউইয়র্ক: এবার ট্রাম্প প্রশাসন H1B ভিসার ক্ষেত্রে করা নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করল। লকডাউনের আগে যারা মার্কিন মুলুকে কর্মরত ছিলেন তারা সেই একই জায়গায় কাজের জন্য ফিরতে চাইলে ফিরতে পারবেন। এক্ষেত্রে কোনো বাধা দেওয়া হবে না বলে জানালো মার্কিন প্রশাসন। এর ফলে কিছুটা স্বস্তি দেবে সেখানে কর্মরত ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা কর্মীদের।

নয়া নির্দেশিকা আমেরিকা স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, বিদেশি নাগরিক যারা একই কাজের যোগ দেবার জন্য আমেরিকায় ফিরতে চান তাদের ক্ষেত্রে H1B ভিসার ব্যাপারে কিছু নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। এর ফলে ওইসব কর্মীদের স্বামী অথবা স্ত্রীকেও আমেরিকায় ফেরায় অনুমতি মিলবে।

প্রসঙ্গত অগাস্ট মাসের প্রথমেই একটি এক্সিকিউটিভ অর্ডারে স্বাক্ষর করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যার ফলে মার্কিন ফেডারেল এজেন্সি গুলি H1B ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় বসবাসকারী বিদেশী নাগরিকদের কাজে নিতে পারবে না। কিন্তু দেখা যাচ্ছিল ট্রাম্পের এমন ভিসা নীতি আদৌ গ্রহণযোগ্য বলে মনে হচ্ছিল না বড় বড় কর্পোরেট সংস্থার। এমনকি ফেসবুক অ্যামাজনের মতো সংস্থাকে এর বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছে। তারা বার্তা দিয়েছে এমন পদক্ষেপের ফলে মার্কিন বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এর আগে ২৩ জুন ট্রাম্প প্রশাসন H1B ভিসা সহ অন্যান্য বিদেশি কর্মী ভিসাগুলি সাসপেন্ড করেছিল। তখন বলা হয়েছিল,২০২০ সালের শেষ পর্যন্ত এই সাসপেনশন বহাল থাকবে। বহু ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী এখন H1B ভিসা নিয়েই আমেরিকায় গিয়ে কাজ করছে। আমেরিকার এইসব টেক সংস্থাগুলি প্রতি বছর ভারত এবং চিন থেকে আসা বহু তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীকে নিয়োগ করে থাকে। ট্রাম্প এমনটা করতে চাইছিলেন যাতেে দেশের মানুষের চাকরির সুযোগ বাড়ে।

এদিকে আগামী নভেম্বর মাসে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। সেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। এই বাইডেন অবশ্য ইতিমধ্যেই বলেছিলেন, ক্ষমতায় এলে ট্রাম্পের জারি করা H1B ভিসার সাসপেনশন তিনি তুলে দেবেন। ট্রাম্পের তুলনায় তিনি বিদেশিদের আমেরিকায় কাজ করার ব্যাপারে অনেক নমনীয় মনোভাব দেখান। কারণ বাইডেনের অভিমত, এই বিদেশিরা যারা আমেরিকায় কাজ করছেন, তাদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভালোই হয়েছে। তাই তিনি H1B ভিসা সহ অন্যান্য যেসব ভিসায় কোপ পড়েছে সেগুলিকে সরিয়ে ওই সব বিদেশি কর্মীদের মার্কিন সংস্থাগুলিতে কাজে লাগাতে চান।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও