স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ : গঙ্গাসাগর থেকে ডিউটি করে ফেরার পথে পুলিশ ও গাড়ির মুখোমুখি সংর্ঘষে মৃত্যু হল গাড়ি চালকের। আহত ডি এস পি। আহত ওই পুলিশ আধিকারীক বর্তমানে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে মালদহের গাজোল থানার পান্ডুয়া এলাকায়। গাড়িটি উদ্ধার করে মৃতদেহ ময়না তদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম প্রভাত রায়। পেশায় পুলিশের গাড়ি চালক। মৃতের বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের পাঞ্জিপাড়ার এলাকায় আশঙ্কা জনক অবস্থায় ডিএসপি জীবন লামার। উত্তর দিনাজপুরের ডিএসপি জীবন লামা আইবি পদে কর্মরত ছিলেন। রবিবার সকালে দুর্ঘটনা হয়।

জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের দিকে যাচ্ছিল পুলিশের গাড়িটি। উল্টো দিক থেকে আসা একটি লরির চাকা ফেঁটে প্রথমে পুলিশের গাড়ির চালকের মাথায় আঘাত লাগে।এরপরেই পুলিশের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার অপর লেনে চলে আসে। সেই সময় উত্তর দিনাজপুর থেকে মালদহ গামী অন্য একটি গাড়ি পুলিশের ডিএসপি-র গাড়িটিকে ধাক্কা মারে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এরপরই কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা গাড়ি চালক প্রভাত রায়কে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মাথায় গুরুতর জখম অবস্থায় ডি এস পি, আই বি জীবন লামাকে শিলিগুড়িতে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা।

আরও জানা গিয়েছে, মৃত প্রভাত রায় গত চার বছর ধরে পুলিশের গাড়ি চালাতেন। গত ৯ জানুয়ারি গঙ্গা সাগর মেলায় ডিউটিতে গিয়েছিলেন ডি এস পি ও তাঁর গাড়ি চালক।এদিন তারা ডিউটি সেরে তার উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে ফিরছিলেন। ডি এস পি , আই পি জীবন লামা রায়গঞ্জে কর্মরত থাকলেও মালদা ও দুই দিনাজপুর জেলার বিভাগীয় দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর বাড়ি শিলিগুড়িতে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,ভোর রাত থেকে কুয়াশায় কিছু দেখা যাচ্ছিলো না। পাশাপাশি রাস্তায় পর্যাপ্ত লাইট ছিল না। আর সেই কারনে এই দূর্ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদেহ ময়না তদন্তে পাঠিয় ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।