মুম্বই: প্রাক্তন BARC সিইও পার্থ দাশগুপ্তের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল মুম্বই আদালত। গত ২৪ ডিসেম্বর পার্থ দাশগুপ্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। টেলিভিশনে টিআরপি কেলেঙ্কারিতে অন্যতম অভিযুক্ত পার্থ দাশগুপ্ত। মুম্বইয়ের আদালতে জামিনের আবেদন করেন পার্থ দাশগুপ্ত। সেই জামিনের খারিজ করেছে আদালত।

মুম্বই পুলিশ টেলিবিশনের টিআআরপি জালিয়াতি মামলার তদন্তে নেমে সম্প্রতি ৩,৪০০ পৃষ্ঠার চার্জশিট জমা দিয়েছে। পুলিশের অভিযোগ রিপাবলিক টিভির কর্ণধার অর্ণব গোস্বামী এবং পার্থ দাশগুপ্তের মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপে তথ্য আদানপ্রদান হয়েছিল। চ্যানেলের রেটিং বাড়িয়ে দেওয়া নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা হয় বলে দাবি পুলিশের। তদন্তে নেমে দাশগুপ্তের বিরুদ্ধে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণামূলক অপরাধের অভিযোগ এনেছে পুলিশ।

এদিন, আদালতে পার্থ দাশগুপ্তের জামিন খারিজের আর্জি জানিয়ে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর শিশির হিরে বলেন, ‘‘উনি প্রভাবশালী ব্যক্তি। জামিনে মুক্তি পেলে প্রমাণ ও সাক্ষীর সাথে জালিয়াতি করতে পারেন।’’ আদালতে এই যুক্তি দেখিয়ে প্রাক্তন BARC সিইও-র জামিনের বিরোধিতা করেন ও আইনজীবী। একইসঙ্গে আদালতকে তিনি আরও বলেন, ‘‘BARC সিইও হিসেবে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন পার্থ দাশগুপ্ত।’’

অন্যদিকে, আদালতে পার্থ দাশগুপ্তের আইনজীবী শর্দুল সিং সওয়াল করতে গিয়ে এদিন বলেন, ‘‘তাঁর কাছ থেকে আর কিছুই উদ্ধার করা যায়নি। অভিযোগপত্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়া চ্যাটগুলি ভারতীয় প্রমাণ আইনের অধীনে B৫ বি শংসাপত্র দ্বারা প্রমাণিতও হয়নি।’’

এই সওয়াল করেই শর্দুল সিং তাঁর মক্কেল প্রাক্তন BARC সিইওকে জামিনে মুক্ত করার আর্জি জানিয়েছেন। যদিও দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে আদালত এদিন টিআরপি জালিয়াতি মামলায় প্রাক্তন BARC কর্তার জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।