কলকাতা : বাংলার ঘরে ঘরে এখন সন্ধ্যেবেলা হলেই সাঁঝ প্রদীপ জ্বলুক বা না জ্বলুক, শঙ্খর ধ্বনি শোনা যাক বা না যাক বাংলা সিরিয়ালের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের ধ্বনি প্রতিফলিত হবেই। বছরের পর বছর ধরে বাঙালির ড্রইংরুম মাতিয়ে রাখে বাংলা ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিক গুলির প্রতিটি চরিত্রই হয়ে ওঠে প্রতিটি সংসারের রিল থেকে রিয়েল লাইফ সদস্য। আর ঠিক সেই কারণেই ‘চলো পাল্টাই’ বললেই স্টার জলসা আর ‘জীবন মানেই’ যে জি বাংলা তা সবার জানা।

বাংলা ধারাবাহিক মানেই দুই চ্যানেলের মধ্যে লড়াই। স্টার জলসা আর জি বাংলা। এই রেষারেষি ১১বছর ধরে চলে আসছে। কোন চ্যানেল কাকে কতটা টেক্কা দিতে পারলো তা টিআরপির দিক দিয়ে বোঝা যায়। প্রকাশিত হলো এই সপ্তাহের টিআরপি নিরিখে কোন সিরিয়াল গুলি আগে এবং কোনগুলি পিছিয়ে পড়েছে তার লিস্ট। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সেগুলো।

১.মিঠাই-৯.৩
২..অপরাজিতা অপু-৮.৩
৩.কৃষ্ণকলি-৮.২
৪.খড়কুটো-৭.৬
৫.যমুনা ঢাকী-৭.৩
৬.রানী রাসমণি-৬.৯
৭.শ্রীময়ী-৭.২
৮.দেশের মাটি, গঙ্গারাম, মহাপীঠ -তারাপীঠ-৬.৫
৯. জীবনসাথী-৬.১
১০. খেলাঘর-৫.৩
১১.বরণ, ফেলনা, গ্রামের রানী বীণাপানি -৪.৬
১২.কড়িখেলা-৪.৪
১৩.এই পথ যদি না শেষ হয়-৪.০
১৪.রিমলি,তিতলি-৩.৪
১৫.কি করে বলবো তোমায়-২.৮
১৬.ওগো নিরুপমা-২.৭
১৭.ধ্রুবতারা-২.৬
১৮.মোহর-২.৫
১৯.সাঁঝের বাতি-১.৮
২০.পান্ডব গোয়েন্দা-১.৪

বাংলা রিয়েলিটি শোয়ের নিরিখে জি বাংলার আবির চ্যাটার্জির সঞ্চালনায় সারেগামাপা টিআরপিতে এবারেও প্রথম স্থানেই রয়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্টার জলসার ড্যান্স ড্যান্স জুনিয়র সিজন ২। বিকেলের টাইম স্লটে অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জির সঞ্চালনায় প্রিয় দিদি নাম্বার ওয়ান তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এই তিন জনপ্রিয় রিয়ালিটি শোয়ের রেটিং যথাক্রমে ৫.৪, ৪.৪, ৩.১।

গত সপ্তাহে ছিল বাংলা নববর্ষ। এই দিন উপলক্ষে বাঙালিকে যারপরনাই বাঙালি সেলিব্রেশন উপহার দেওয়াতে দুই চ্যানেল কর্তৃপক্ষই কোনরকম কমতি রাখেননি। জি বাংলার টিআরপিতে শীর্ষে থাকা মিঠাই পরিবার আয়োজন করেছিল হালখাতা অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিল জি বাংলার অন্যান্য পরিবার। তাতেই টিআরপি ছিল বেশ৷ অন্যদিকে স্টার জলসায় ‘খেলাঘর’ আর ‘গঙ্গারাম’ দুই পরিবারের ছিল নববর্ষ মহামিলন পর্ব।

বৈশাখী হালখাতা-৯.৫
নববর্ষে মহামিলন-৬.৪

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.