আহমেদাবাদ: বড়সড় ধাক্কা কংগ্রেস শিবিরে। রাজ্যসভা নির্বাচনের আগে পাঁচজন বিধায়ক ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। তবে শুধু এখানেই শেষ নয়, মোট সাতজন অর্থাৎ এখনও দু’জন ইস্তফা দেবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। এমন সময়ে এই সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের শক্তহাত নড়বড়ে করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া দল ছাড়ার পর থেকেই মধ্যপ্রদেশে দল বদলের তাড়াহুড়ো শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক পাশাবদলের খেলায় পিছিয়ে নেই গুজরাতও। রবিবার সকালে চার বিধায়ক ইস্তফা দেওয়ার পরে জল্পনা চলছিল, দুপুর গড়াতেই আরও একজন ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মার্চ মাসের ২৬ তারিখ গুজরাতে রাজ্যসভা নির্বাচন।

এদিন সকালে চারজন কংগ্রেস বিধায়ক গুজরাত বিধানসভার স্পিকারের কাছে তাঁদের ইস্তফাপত্র জমা করেছেন। যে চারজন বিধায়ক ইস্তফা জমা করেছেন তাঁদের নাম-মঙ্গল গভিত, জেভি কাকাডীয়া, সোমাভাই পটেল, প্রদ্যুমান জাদেজা এবং সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, প্রবীন মারো’র ইস্তফাপত্র মিলিয়ে মোট পাঁচজন এখনও অবধি ইস্তফা দিয়েছেন।

যখন কংগ্রেস ১৪ জন বিধায়কের প্রথম দলকে জয়পুরে নিয়ে গিয়েছেন সেইসময় থেকেই মিসিং ছিলেন প্রথম চার বিধায়ক। যদিও কংগ্রেস বিধায়ক ভিরজিভাই ঠুম্মর ইস্তফাপত্রের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। দল এখনও কন ইস্তফাপত্র পায়নি বলেই জানা গিয়েছে। সোমাভাই পটেল দলের সঙ্গে শনিবার অবধি যোগাযোগে ছিলেন বলেই জানা গিয়েছে দলীয় সুত্রে।

রাজ্যসভা নির্বাচনের আগে ঘোড়া কেনাবেচার ভয়ে গুজরাতের কংগ্রেস তাঁদের বিধায়কদের অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। ২২ জনের আর একটি দল রবিবার সন্ধ্যায় রাজস্থানে পৌঁছবেন বলেই এখনও অবধি জানা গিয়েছে।

১৮২ আসনের গুজরাত বিধানসভায় বিজেপির ১০৩ আসন, কংগ্রেস ৭৩ আসন যার মধ্যে দুটি আসন ভারতীয় ট্রাইবাল পার্টি এবং ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির সঙ্গে ভাগ করেছে। সেখানে একজণ নির্দল লেজিশলেটর রয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।