পাটনা: মোদী ঝড়ে বেসামাল বিরোধী দল ও দলের দিগগজেরা৷ অনেক আশা জাগিয়ে ধরাশায়ী সকলে৷ উল্টে লোকসভা ভোটে একটিও আসন না পেয়ে দলের মধ্যে প্রবল সমালোচনার মুখে তারা৷ বিরোধী জোটের অন্যতম কাণ্ডারি তেজস্বী যাদব বিহারে আরজেডিকে জেতাতে না পেরে দলের অন্দরে প্রবল বিক্ষোভের মুখে৷ উঠল বিরোধী নেতার পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার দাবিও৷

বিহারে মোট ৪০টি আসনের মধ্যে ৩৯টি তে জয়ী হয়েছেন এনডিএ প্রার্থীরা৷ একটি আসন গেছে কংগ্রেসের ঝুলিতে৷ লোকসভা ভোটে আরজেডি এবার খাতাই খুলতে পারেনি৷ তাদের প্রাপ্তি শূন্য৷ এই অবস্থায় লালু পুত্রের নেতৃত্ব নিয়ে দলের মধ্যে উঠছে প্রশ্ন৷ সেই সঙ্গে আরজেডি’কে যাদব পরিবারকেন্দ্রীক দল গড়ে তোলায় লালুকে রেওয়াত করছেন না কেউ কেউ৷

গাইঘাট কেন্দ্রের বিধায়ক মহেশ্বর যাদব দলের এই শোচনীয় পরাজয়ের জন্য তেজস্বীকে দায়ী করেন৷ কোন রকম রাখঢাক গুড়গুড় না করেই জানান, বিহারে এনডিএ জোটের কাছে মহাজোট কোনও কামাল দেখাতে পারেনি৷ তাই হারের দায় স্বীকার করে বিরোধী নেতার পদ থেকে তেজস্বীর নৈতিকভাবে সরে আসা উচিত৷

আরজেডি’র মধ্যে মহেশ্বর প্রথম নেতা যিনি প্রথম তেজস্বীকে আক্রমণ করলেন৷ তাঁর যুক্তি ২০১৪ সালেও প্রবল মোদী হাওয়ায় আরজেডি ৪টি আসন পেয়েছিল৷ এবার তা শূন্যে নেমে আসে৷ এই প্রথম দলের এমন শোচনীয় হার হল৷ এর দায় তেজস্বীকে নিতে হবে৷ উল্লেখ্য, লালুর জেলযাত্রার পর দলের রাশ নিজের হাতে নেন তেজস্বী৷ মাঝে বেশ কয়েকটি উপনির্বাচনে দলকে জয় এনে দেন৷ এবারের লোকসভা ভোট ছিল তাঁর নেতৃত্বের পরীক্ষা৷ সফল হলে জাতীয় স্তরের নেতা হিসাবে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ ছিল তেজস্বীর কাছে৷ তবে সেই সুযোগ হাতছাড়া হল৷