আগরতলা: আন্তর্জাতিক নদী গোমতী দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বহু প্রতীক্ষিত পণ্য পরিবহণ শুরু হয়েছে। শনিবার বাংলাদেশের কুমিল্লা থেকে রাজ্যের সোনামুড়া বন্দরে সিমেন্ট বোঝাই ট্রলার পৌঁছায়। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব এরপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।

ঢাকার সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, গোমতী নদীর নাব্যতা সংকটে বাংলাদেশের ট্রলারটি ভারতে ঢোকার আগেই কুমিল্লা সদর উপজেলার বিবিরবাজার এলাকায় আটকে যায়। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার পর সেই ট্রলার ত্রিপুরার সোনামুড়া বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়।

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাশ জানান, চলতি বছরের মে মাসে ঢাকায় দুই দেশের মধ্যে নতুন দুটি নৌপথের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। একটি হলো রাজশাহী থেকে ভারতের দুলিহান ও দাউদকান্দি থেকে ত্রিপুরার সোনামুড়া। চুক্তি অনুসারে শনিবার ত্রিপুরার দিকে প্রথম চলাচল শুরু হলো।

এই নৌপথ চালুর ফলে দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। সম্প্রতি কলকাতা থেকে বঙ্গোপসাগর হয়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য আসে উত্তর পূর্ব ভারতের জন্য।

চট্টগ্রাম থেকে স্থলপথে ত্রিপুরা সহ উত্তর পূর্বের অন্যান্য রাজ্যে পণ্য পাঠানো শুরু হয়েছে। এর ফলে সময় ও দূরত্বের বাধা কমেছে। কারণ, চট্টগ্রাম থেকে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির দূরত্ব কমবেশি ৫০০ কিলোমিটারের মধ্যে। এরপরে শনিবার শুরু হলো বাংলাদেশ থেকে ও ত্রিপুরার মধ্যে নদী পথে পণ্য পরিবহণ।

গোমতী নদীপথে বাংলাদেশের কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে সিপাহিজলা জেলার সোনামুড়া বন্দরে দু’দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানিতে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের আগ্রহ আছে। এই নৌপথটি প্রায় ৯০ কিলোমিটার দীর্ঘ। এতে সড়কপথের চেয়ে পরিবহন খরচও অনেক কম হবে। গোমতী নৌপথে কম উচ্চতার সেতু থাকায় ছোট ট্রলারে করেই পণ্য আমদানি-রফতানি করা হবে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।