আগরতলা: চাকরির প্রতিশ্রুতি রক্ষা করো এই দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্না আন্দোলনের উপর ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই পুলিশ যথেচ্ছ লাঠিচার্জ করেছে। এমনই অভিযোগ, কর্মচ্যুত ১০৩২৩ শিক্ষক আন্দোলনের যৌথ মঞ্চের। এই ঘটনার জেরে রাজ্যের বিজেপি আইপিএফটি জোট সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল অসন্তোষ।

এদিকে আরও বিতর্ক। বুধবার আগরতলায় যখন শিক্ষক শিক্ষিকারা আক্রান্ত, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বাসভবন ঘিরে তুমুল উত্তেজনা চলছিল। তখন কোনওভাবেই যোগাযোগ করা যায়নি শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথের সঙ্গে। এমনই অভিযোগ আন্দোলনকারীদের।

পরে খোদ শিক্ষামন্ত্রীর ফেসবুক পোস্ট থেকে থেকে জানা যায় তিনি একটি শৌচালয় উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে ছিলেন। ছবি দিয়ে মন্ত্রী লিখেছেন, আজ মোহনপুরে একটি পাবলিক টয়লেট উদ্বোধন করলাম। ঘটনাচক্রে বুধবারই শিক্ষক শিক্ষিকাদের উপর পুলিশের ব্যাপক লাঠিচার্জ, মারধরের ঘটনায় আগরতলা ছিল উত্তাল।

বহু শিক্ষক শিক্ষিকা জখম হয়েছেন। রাস্তায় পড়েছিলেন। আন্দোলনকারীদের তরফে দাবি, অন্তত ১৫০ জন জখম হয়েছেন। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। তবে আন্দোলনকারীদের যৌথ মঞ্চ জানিয়েছে, কোনও অবস্থায় চাকরির দাবি থেকে সরে আসা যাবে না। কেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব ও শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

জখম শিক্ষক শিক্ষিকাদের দেখতে হাসপাতালে যান বিরোধী নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার মানবিকতার সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বিষয় দেখছে না। বহুবার মুৃখ্যমন্ত্রী কে বলা হয়েছে বাম আমলে যে বিকল্প রোজগারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল তাতে পুনরায় নিয়োগ করা হোক এই শিক্ষক শিক্ষিকাদের।

রাজ্যে বিগত বাম সরকারের আমলে চাকরি পেরেছিলেন এই ১০৩২৩ জন শিক্ষক শিক্ষিকা। তবে আদালত বলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ত্রুটি আছে। বাম সরকার জানায় বিকল্প কর্মসংস্থান করা হচ্ছে। তবে সরকার পরিবর্তন হয়। বিজেপি আইপিএফটি জোট ক্ষমতায় আসে বাড়ি বাড়ি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে।

কিন্তু এই ১০৩২৩ শিক্ষক শিক্ষিকার চাকরি বা বিকল্প কর্মসংস্থান করা হয়নি। বিকল্প রোজগারের দাবিতে গত বছর থেকে ধর্না আন্দোলন চালাচ্ছেন তাঁরা। টানা ৫১ দিন ধরে চাকরি অথবা বিকল্প কর্ম সংস্থান চেয়ে কর্মচ্যুত ১০৩২৩ জন শিক্ষক শিক্ষিকাদের আন্দোলন চলেছে আগরতলায়।

শান্তিপূর্ণ ধর্না আন্দোলনে অংশ নিয়ে ইতিমধ্যেই ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের কয়েকজন আত্মঘাতী হয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।