আগরতলা: বিশে মে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন মহিলা৷ এক মাসও কাটেনি৷ অভিযুক্ত বিধায়ক বিয়ে করে নিলেন তাঁকে৷ এমনই ঘটেছে ত্রিপুরার এক বিধায়কের সঙ্গে৷ বিধায়ক ধনঞ্জয় ত্রিপুরার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছিলেন এক মহিলা৷ আগরতলা মহিলা পুলিশ স্টেশনে ২০শে মে ধর্ষণ ও তাঁকে বিয়ে না করার অভিযোগ এনেছিলেন ওই মহিলা৷

সোমবার সেই সব অভিযোগ কাটিয়ে ধনঞ্জয় ত্রিপুরা বিয়ে করে নিলেন অভিযোগকারিণী ওই মহিলাকে৷ ত্রিপুরার শাসক দল বিজেপির শরিক আইপিএফটির ওই বিধায়ক সেই অভিযোগে পর বেশ বিপাকে পড়েন৷ সমস্যা কাটাতেই ওই মহিলাকে বিয়ে করার কথা স্বীকার করে নেন তিনি৷ সোমবার আগরতলায় ওই বিধায়ক জানান, চতুরদাস দেভাতা মন্দিরে তাঁদের বিয়ে হয়েছে৷

আরও পড়ুন : শিবসেনার কাছে মোদী-শাহ-যোগীই সুপ্রিম কোর্ট : সঞ্জয় রাউত

আইপিএফটির এমএলএ কাউন্সেল অমিত দেববর্মা জানান, রবিবার ওই বিধায়কের বিয়ে হয়েছে মহিলার সাথে, এই মহিলাই ধনঞ্জয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন৷ তবে আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে৷ অভিযোগ তুলে নিয়েছেন ওই মহিলা৷
দেববর্মা জানান, দুই পরিবারের সম্মতিতেই এই বিয়ে হয়েছে৷ কোথাও আর কোনও সমস্যা নেই৷ নতুন করে কোনও অভিযোগও দায়ের করা হয়নি৷ ধালাই জেলার গান্ধাচেররা এলাকায় আপাতত থাকছেন নবদম্পতি৷

এই বিয়ের শংসাপত্রও প্রকাশ করা হয়েছে৷ বিয়েকে বৈধ করতে তা নিজেই প্রকাশ করেছেন বিধায়ক৷ দুই পরিবারের তরফ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিও এই বিয়ের জন্য সামনে আনা হয়৷ মৌখিক সম্মতির ওপরে নির্ভর করেই বিয়ে সম্পন্ন হয় বলে খবর৷

আরও পড়ুন : বঙ্গ-বিশ্বহিন্দু পরিষদের অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করল ট্যুইটার

এর আগে, ওই দাবি করেছিলেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই বিধায়কের সঙ্গে মেলামেশা ছিল তাঁর৷ দুজনের মধ্যে প্রণয়ের সম্পর্কও ছিল৷ কিন্তু তারপরেই ওই বিধায়ক তাঁকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন তিনি৷ রিমাভ্যালি বিধানসভা আসনের ওই বিধায়কের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন তিনি৷ এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই বিধায়ককে গ্রেফতারও করা হয়৷