আগরতলা: স্নাতক স্তরের পড়াশোনার ক্ষেত্রে সুবিধার জন্য সকল পড়ুয়ারা যাতে স্মার্টফোন কিনতে পারে সেই ব্যাপারে পদক্ষেপ নিল ত্রিপুরা সরকার। বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে এহেন পদক্ষেপ নজিরবিহীন। এমনটা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং আইনমন্ত্রী রতনলাল নাথ।

২০১৮ নির্বাচনের সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার জন্য এহেন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। আর সেই কারণে প্রত্যেক পড়ুয়াদের ফোন কেনার জন্য কমপক্ষে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। যার সাহায্যে তারা ফোন কিনতে পারবেন। পড়ুয়াদের জন্য সরকারের তরফ থেকে নেওয়া এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে নজিরবিহীন।

৩৮ টি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ১৪,৬০৮ পড়ুয়াদের এই ফোন দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং, বাণিজ্য, কলা,আইন সহ একাধিক বিভাগের পড়ুয়াদের ফোন কেনার জন্য এই সুবিধা দেওয়া হবে। আর এই প্রকল্পে একাধিক পড়ুয়া উপকৃত হবে বলেও মনে করা হচ্ছে।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে পড়ুয়াদের একাধিক সুবিধা দেওয়ার জন্য সরকার আনতে চলেছে ”মুখ্যমন্ত্রী যুব যোগাযোগ যোজনা”। এই প্রকল্পের জন্য প্রায় ৭.৩১ কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানানো হয়েছে।

এই স্মার্টফোনের সাহায্যে পড়ুয়ারা তাদের পড়াশোনা সংক্রান্ত একাধিক সুবিধা নিতে পারবে। তারই সঙ্গে উচ্চশিক্ষা এবং গবেষণা সংক্রান্ত ক্ষেত্রে একাধিক সুবিধা পেতে পারবেন।

বিজেপি শাসিত রাজ্যে এই জাতীয় পদক্ষেপ নেওয়া যথেষ্ট প্রশংসাদায়ক। কারণ বর্তমানে প্রায় বেশীরভাগ মানুষ ইন্টারনেটের উপরে নির্ভরশীল। আর রেফারেন্সের ক্ষেত্রে বর্তমানে অধিকাংশ পড়ুয়া এই ইন্টারনেটের উপরে নির্ভরশীল। আর তাই এই জাতীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে পড়ুয়াদেরই সুবিধা হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।