প্রতীকি ছবি

আগরতলা: মেয়েদের জন্য অন্যতম অত্যাবশ্যকীয় উপাদান স্যানিটারি ন্যাপকিন। বয়ঃসন্ধি থেকে শুরু করে মোনোপজের আগে পর্যন্ত মাসিক সমস্যায় অপরিহার্য এই উপাদান। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই পণ্যটি নিয়ে এখনও ট্যাবু রয়েছে সমাজে। সেই ট্যাবু ভাঙতে ও মেয়েদের পাশে দাঁড়াতে এবার উদ্যোগ নিল ত্রিপুরা সরকার।

সাধারণত মেয়েদের মাসিক শুরু হয় পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণির মধ্যে। সেই কথা মাথায় রেখেই ত্রিপুরার সমস্ত স্কুলে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রীদের বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ত্রিপুরার শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ বুধবার একথা ঘোষণা করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন যে রাজ্যের যুবক সমাজের মধ্যে মাসিক নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে স্কুল ছাত্রীদের বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রস্তাব রাজ্য সরকার অনুমোদন করেছে। এই পদক্ষেপের ফলে ছাত্রীরা মাসিকের সময় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে পারবে। পাশাপাশি ঋতুস্রাব সম্পর্কে আরও জ্ঞান অর্জন করতে পারবে।

সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রতনলাল নাথ বলেন, “মহিলা ঋতুস্রাবের স্বাস্থ্যবিধি বৃদ্ধির জন্য বুধবার ত্রিপুরা মন্ত্রিসভা ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সমস্ত স্কুল ছাত্রীদের মধ্যে বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহের অনুমোদন দিয়েছে।”

ত্রিপুরার স্কুল ছাত্রীদের মধ্যে স্যানিটারি প্যাড বিতরণে এই স্কিমটির নাম রাখা হয়েছে ‘কিশোরী সুচিতা অভিযান’।

বিনামূল্যে এই ন্যাপকিন মোট ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ২৫২ জন ছাত্রীকে দেওয়া হবে। এর জন্য তিন বছরে সরকারি কোষাগার থেকে ৩ কোটি ৬১ লক্ষ ২৪৮ টাকা খরচ হবে। এদিন বিদ্যালয়ে নতুন পলিসি নিয়েও বিস্তারিত জানানো হয়।

এ সম্পর্কে কথা বলার সময় ত্রিপুরার শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের গাইডলাইন মেনে রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর ‘স্কুল ব্যাগ ২০২০ নীতি’ গ্রহণ করেছে। এই ‘স্কুল ব্যাগ ২০২০ নীতি’ অনুসারে, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পড়ুয়াদের ব্যাগের ওজন ১.৬ থেকে ২.২ কেজি হওয়া উচিত।

কারণ এই বয়সের শিশুর গড় শরীরের ওজন ১৬ থেকে ২২ কেজি হয়। এখানে আরও বলা হয়েছে যে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ৩.৫ থেকে ৫ 5 কেজি ওজনের ব্যাগ নিতে পারবে। কারণ এদের গড় ওজন থাকে প্রায় ৩৫ থেকে ৫০ কেজি।

শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ এদিন আরও জানিয়েছেন যে রাজ্য করোনা পরিস্থিতি থেকে দ্রুত উন্নতি করছে। বর্তমানে গোবিন্দ বল্লভ পান্ত হাসপাতালে কেবল পাঁচজন রোগী চিকিৎধীন রয়েছেন।

তবে, ৩২ জন বাড়িতে আইসোলেড হয়ে রয়েছেন। করোনা পরিস্থিতি থেকে উঠে দাঁড়াতে এখন তৎপর রাজ্য। তাই ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ত্রিপুরার স্কুলগুলি নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ফের খোলা হয়েছে।

কোভিড-১৯ সুরক্ষা বিধি মেনেই যাতায়াত করেছে ছাত্রছাত্রীরা। দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের আসন্ন বোর্ড পরীক্ষা বিবেচনায় করেই রাজ্যে স্কুলগুলি ফের চালু করা হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।