আগরতলা: করোনাভাইরাসের চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং সুরক্ষাজনিত সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় ওষুধ-সামগ্রী কেনায় অনিয়মের অভিযোগে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিবকে সরিয়ে দিল ত্রিপুরা সরকার। একইসঙ্গে অভিযুক্ত প্রশাসনের ওই শীর্ষ কর্তার বিরুদ্ধে আইন মেনে তদন্ত হবে বলেও জানিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী রতনলাল নাথ।

দেশের অন্য প্রান্তের মতো জোরালোভাবে না হলেও ইতিমধ্যেই করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে উত্র-পূর্বের রাজ্য ত্রিপুরাতেও। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ত্রিপুরায় এখনও পর্যন্ত ২ জনের শরীরে মারণ করোনার জীবাণু মিলেছে। তাঁদের মধ্যে ১ জন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

আক্রান্তের সংখ্যা কম হলেও কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ ত্রিপুরা সরকার। সংক্রমণ দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়া রুখতে চেষ্টার কোনও ফাঁকফোকর রাখতেও নারাজ রাজ্য সরকার। করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসার সরঞ্জাম কিনছে রাজ্য।

একইসঙ্গে চিকিৎসক, নার্স-সহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার স্বার্থেও কেনা হচ্ছে বিভিন্ন সরঞ্জাম। অভিযোগ, করোনা মোকাবিলায় কেনা এইসব সরঞ্জামের লেনদেনে অনিয়ম করেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব। প্রশাসনের ওই শীর্ষকর্তা একইসঙ্গে জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের মিশন অধিকর্তার পদেও রয়েছেন।

পদ ব্যাবহার করে করোনা মোকাবিলায় বিপুল স্বাস্থ্য সামগ্রী কেনার ব্যাপারে ওই ব্যক্তি দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই এই অভিযোগ পেয়ে স্বাস্থ্যসচতিবকে সরিয়ে দিয়েছে ত্রিপুরা সরকার। তাঁর বিরুদ্ধে আইন মেনে তদন্ত চলবে বলে জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের মন্ত্রী রতনলাল নাথ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ