আগরতলা: মুখ্যমন্ত্রী ঘেরাও। চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি জানিয়ে এক মহিলা অস্থায়ী কর্মচারী কান্নায় ভেঙে পড়লেন বিপ্লব দেবের সামনেই। ঘটনার সাক্ষী থাকল আগরতলার জিবি হাসপাতাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি ছড়িয়েছে। তীব্র অস্বস্তিতে ত্রিপুরা বিজেপি। গত বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া শক্তি প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় আসে।

বিরোধী সিপিআইএম ও কংগ্রেসের অভিযোগ, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিপত্র ‘ভিশন ডকুমেন্ট’-এ বিপুল কর্মসংস্থান ও চাকরির কথা বলা হলেও তার কোনটাই পূরণ হয়নি। ঘটনার সূত্রপাত আগরতলা জিবি হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের আসার পরেই। করোনাভাইরাস সংক্রমণ ত্রিপুরায় বাড়ছে। হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা পরিকাঠামো নিয়ে অভিযোগ উঠছে।

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি হাসপাতালের সামনে আসতেই এক মহিলা অস্থায়ী কর্মী ও আরও কয়েকজন মিলে খোদ মুখ্যমন্ত্রীকেই ঘিরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাদের দাবি, অবিলন্বে চাকরি স্থায়ী করুক সরকার। অনেক অস্থায়ী কর্মী অবসরের বয়সে পৌঁছে গিয়েছেন তাদের অবসরকালীন সুযোগ দেওয়া হোক।

দৃশ্যতই মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব অস্বস্তিতে পড়ে যান। মহিলা কর্মী তাঁর সামনে আঁচল তুলে ধরে চাকরির স্থায়ীকরণ চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। নিরাপত্তারক্ষীরা কোনওরকমে বিক্ষোভরত মহিলা ও বাকিদের থেকে মুখ্যমন্ত্রী কে আলাদা করে রাখেন।

বারবার অনুরোধ করা হয়, করোনা সংক্রমণের কারণে দূরত্ব বজায় রাখার। কোনওরকমে বিপ্লব দেব কে বিক্ষোভকারীদের সামনে থেকে সরিয়ে নিতে পারেন নিরাপত্তারক্ষীরা। জিবি হাসপাতালে প্রবেশ করেন তিনি। রাজ্যের করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের ভূমিকায় আগেই সরব হয়েছেন প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায়বর্মণ।

ত্রিপুরার প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা সুদীপবাবু পরিবর্তনের অন্যতম কাণ্ডারী হিসেবেই পরিচিত। কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস হয়ে বিজেপি তে যোগ দেন তিনি। টানা দু দশকের বাম শাসন অবসান হয়ে বিজেপি আইপিএফটি জোট সরকার তৈরি হয়। সুদীপবাবু হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর সঙ্গে বিরোধিতা বাড়তে থাকে সরকারের। মন্ত্রীত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় সুদীপ রায়বর্মণকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।