ফাইল ছবি

শাহজাহানপুর: যখন তখন বন্ধ করা হোক ফতোয়া দেওয়ার রেওয়াজ। এর জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিক কেন্দ্র। এই দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হতে চলেছেন তিন তালাকের শিকার হওয়া এক মহিলা।

আরও পড়ুন- বিজেপি-র হিন্দুত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মমতা

তিন তালাক নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। এই রেওয়াজ কতটা ইসলামিক তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। এনডিএ পরিচালিত কেন্দ্র সরকার এই প্রথা উঠিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করলে তা নিয়েও তৈরি হয় জটিলতা। যদিও তিন তালাকের শিকার হওয়া মহিলারা এই রীতি বন্ধের পক্ষেই আওয়াজ তুলেছেন।

আরও পড়ুন- পাল পাল গোরু নিয়ে আফ্রিকায় যাচ্ছেন মোদী

এমনই এক নির্যাতিতা মহিলা হলেন উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুর এলাকার নিদা খান। তিন তালাক প্রথার কারণে তাঁর সংসার ভেঙেছে। এই প্রথা যে কতটা মারাত্মক তা তিনি বিলক্ষণ জানেন। এই ভয়ঙ্কর প্রথা সমাজের পক্ষেও যে ক্ষতিকারক সেটিও তিনি বেশ ভালোই বোঝেন। এই রেওয়াজ চিরতরে নির্মূল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন নিদা খান। তাঁর কথায়, “তিন তালাক এবং এই নিয়ে জারি করা হয় ফতোয়া। এই সকল রীতি বন্ধ হওয়া দরকার।”

এই প্রতিকূল সমস্যার স্থায়ী এবং সুস্থ সমাধানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন নিদা খান। তিনি নিজে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এই বিষয়ে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, “নিয়ম মেনে আগাম আবেদন করেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করব। এবং তাঁর কাছে আবেদন জানাব তিন তালাক বা ফতোয়া সংস্কৃতি দূর করতা কড়া আইন নিয়ে আশার জন্য।”

উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, শনিবার উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুর এলাকাতেই ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দলীয় সভায় প্রকাশ্যে বক্তব্যও রাখেন তিনি। যদিও সেই সভাস্থলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে আগ্রহী ছিলেন না নিদা। নিজের নিরাপত্তার স্বার্থেই এদিন শাহাজাহানপুরে মোদীর কাছে তিনি যেতে পারেননি বলে জানিয়েছেন নিদা খান। কিন্তু তিন তালাকের শিকার হওয়া এই মহিলা শীঘ্রই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন বলে দাবি করেছেন।

এদিন শাহজাহানপুরের সভা থেকে কংগ্রেস পার্টিকে আক্রমণ করেন নরেন্দ্র মোদী। লোকসভার রাহুল গান্ধীর জড়িয়ে ধরা নিয়েও তাঁকে কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প