স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: শাসক দলের তিন বুথ সভাপতি সহ শতাধিক সংখ্যালঘু কর্মী গেরুয়া শিবিরে যোগদান করলেন। রীতিমত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পদ্মের পতাকা হাতে নিয়ে নরেন্দ্র মোদির জয় গানও গাইলেন তাঁরা। ঘাস ফুলের শক্তঘাঁটি বলে পরিচিত গঙ্গারামপুরের নন্দনপুর।

রাজনৈতিক অভিজ্ঞ মহলের মতে বাম সরকারের আমলে এই নন্দনপুর পঞ্চায়েতের রতনপুর থেকেই জেলায় সিপিআইএম-এর বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: অমিত শাহর উপস্থিতিতেই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন মমতার প্রাক্তন মন্ত্রী

নন্দনপুর পঞ্চায়েতের উত্তর বজরাপুকুর, সহরপাড়া ও শিবিরপাড়া বুথের সভাপতি যথাক্রমে রাকেশ ভুঁইমালী, সামাদ মিয়াঁ ও আব্দুল লতিফ সরকার এবং তাঁদের দুইশোরও বেশি অনুগামী সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিলেন। মাইনোরিটি মোর্চার দক্ষিণ দিনাজপুরের সাধরণ সম্পাদক রাহুল মন্ডল ও বিজেপির গঙ্গারামপুর মন্ডলের সভাপতি সনাতন কর্মকার তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন৷

বিজেপি শিবিরে যোগ দিয়ে এদিন রাকেশ ভুঁইমালী অভিযোগ করে বলেন, রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তৃণমূল দলের মধ্যে বহিরাগতরা ঢুকে পড়ায় আদি তৃণমূলের কাউকে আর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না৷ এমনকি বিভিন্ন সভায় তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের গালভরা বক্তব্য রাখছেন।

অথচ বাংলার সংখ্যালঘুদের বাস্তব চিত্রটা সম্পূর্ণই আলাদা। এমনই সব নানান কারণেই তাঁরা সদলবলে তৃণমূলের সঙ্গ ত্যাগ করে মোদীজির হাত শক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ধনী মুসলিম মহিলারা মাঝে মধ্যেই ভাঙেন কড়া আইন

এদিকে বিজেপির মাইনোরিটি মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রাহুল মন্ডল জানিয়েছেন, কেন্দ্রে তাঁদের সরকারের চার বছরের সাফল্য ও বিশেষ করে উন্নয়ন মূলক প্রকল্পগুলি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজকে বিজেপি মুখী করেছে। পাশাপাশি রাজ্য জুড়ে শাসকদলের অত্যাচার দুর্নীতি তোলাবাজির বিরুদ্ধে শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষরা কেউ আর তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চাইছেন না।

শুধু নন্দনপুরেই নয় আগামি কয়েকদিনের মধ্যে গঙ্গারামপুর হরিরামপুর সহ সমস্ত ব্লকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কয়েক হাজার মানুষ গেরুয়া শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন।

আরও পড়ুন: ইদে দেবের তরফ থেকে ফ্যানেরা পাবেন বিশেষ উপহার!