স্টাফ রিপোর্টার,কলকাতা: বাংলা নববর্ষের রাতে তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে চড়াও তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুগামীরা৷ বাড়ি ভাঙচুর,প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ৷ এলাকায় মোতায়েন পুলিশ৷

বারাসত লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত সল্টলেক সুকান্তনগর৷ বিধাননগর পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড৷ ওই এলাকায় থাকেন তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত গোপাল দে৷ সোমবার গভীর রাতে তার বাড়িতে বেশ কয়েকজন সশস্ত্র দুষ্কৃতী ঢুকে পড়ে৷ এবং তার নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে করতে বাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ৷

তৃণমূলকর্মী গোপাল দের পরিবারের অভিযোগ, নববর্ষের রাতে দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়৷ গোপাল দের নাম করে তাকে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসতে বলে৷ ভয় পেয়ে পরিবারের সদস্যরা চিৎকার করতে থাকেন৷ স্থানীয় বাসিন্দারা তার বাড়িতে ছুটে আসেন৷ সেই সময় দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়৷ যদিও ঘটনাচক্রে ওই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না৷

পরিবারের আরও অভিযোগ, এর পেছনে ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জয়দেব নস্করের হাত রয়েছে৷ দুষ্কৃতীরা তারই অনুগামী বলে দাবি দে পরিবারের৷ তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর জয়দেব নস্কর৷ তার দাবি, কোনও দুষ্কৃতী তার অনুগামী নয়৷

রাতেই ঘটনাস্থলে আসে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ৷ ওই এলাকায় রাতভর মোতায়েন ছিল পুলিশ৷ কেন এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।