নয়া দিল্লি : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে এসে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের কাছে জানাল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁদের বক্তব্যের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করছেন। তাঁরা প্ররোচনামূলক বিবৃতি দিচ্ছেন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে এই মর্মে তৃণমূল অভিযোগ জানিয়েছে।”

রাজ্যে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে বিজেপি ও তৃণমূলের পরস্পর বিরোধী মন্তব্য ও বক্তব্য রাজ্য রাজনীতির বাতাসকে ভারী করে তুলেছে। নির্বাচনী প্রচারের শুরু থেকেই রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা প্রচারে আসছেন। তৃণমূল তাদের প্রথম থেকেই “বহিরাগত” তকমা দিয়ে পাল্টা প্রচার শুরু করেছে। এই ভাবেই রাজ্যের ৪ দফা নির্বাচন শেষ হয়ে গিয়েছে। আগামী ১৭ এপ্রিল রাজ্যের পঞ্চম দফার নির্বাচন।

এরই মধ্যে চতুর্থ দফার নির্বাচনের দিন শীতলকুচিতে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে গেছে। প্রথম ভোট দিতে আসা আনন্দ বর্মণ দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। ওই একইদিনে শীতলকুচিতে সেন্ট্রাল আর্ম ফোর্সের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ৪ জন নিরীহ ভোটার। এবার মৃত এই ব্যক্তিদের নিয়েও রাজনীতি শুরু হয়েছে রাজ্যজুড়ে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোট লুঠের যে প্রক্রিয়া তার জন্যই এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, আনন্দ বর্মণ রাজবংশী তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই প্রথম ভোটারের মৃত্যু হলেও তাঁর নাম মুখে আনছেন না। তৃণমূলের তরফে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তখনই তৃণমূল সরব হয়েছিল। বুধবার এই ঘটনার জেরেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে তৃণমূলের তরফে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়ে এলো তৃণমূল।

নির্বাচন শুরুর আগে থেকেই এমসিসি লঙ্ঘনের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল পরস্পরের বিরুদ্ধে নালিশ জানাচ্ছে নির্বাচন কমিশনে। এই দৌড়ে তৃণমূল ও বিজেপি এখনও পর্যন্ত সমান সমান যাচ্ছে। বিজেপি-র নালিশের ভিত্তিতে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাঁর ২৪ ঘণ্টা প্রচার বন্ধ করে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এবার দেখা যাক তৃণমূলের নালিশের পর কমিশন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.