নয়াদিল্লি:   সুষমা-শিবরাজদের পদত্যাগের প্রশ্নে তৃণমূল কংগ্রেসের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেবের। আর সেই উত্তর দিতে গিয়েই তাঁর সঙ্গে ধুন্ধুমার বাধল তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
সংসদে বিজেপির দুর্নীতি নিয়ে সামগ্রিক ভাবে বিরোধিতা করা হলেও সুষমা-শিবরাজদের পদত্যাগের দাবি যে করা হবে না, তা আগেই জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। দলীয় সাংসদদের প্রতি তৃণমূলনেত্রীর নির্দেশ ছিল, ব্যপম কেলেঙ্কারিতে ‘নিরপরাধ মানুষের’ মৃত্যুর তদন্ত দাবি করতে হবে। কিন্তু ‘ললিতগেট’ নিয়ে নৈব নৈব চ। এমনকী ব্যপম কাণ্ডে সার্বিক তোপের মুখে যিনি, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সেই শিবরাজ সিংহ চৌহানের বিরুদ্ধেও তৃণমূল সরাসরি কোনও আক্রমণ শানাবে না। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদেরা সাফ বলেছেন, কোনও ব্যক্তিকে আক্রমণ নয়, তাঁরা সার্বিক প্রতিবাদ করবেন। গত তিন দিন সংসদের অধিবেশনে সেই নীতি নিয়েই চলছিল তৃণমূল। বিরোধী ঐক্য বজায় রাখতে যদিও অরুণ জেটলির ডাকা বৈঠকে ছিল না তারা। কিন্তু কংগ্রেস বা অন্য দলগুলির মতো সোচ্চারে প্রতিবাদও করেনি তৃণমূল। শুক্রবারও বিরোধীদের হট্টগোলে মুলতুবি হয়ে যায় সংসদের অধিবেশন। এর পরেই কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেব তৃণমূল সাংসদদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের নেত্রী যেখানে এক জন লড়াকু নেত্রী, সেখানে বিজেপির দুর্নীতি নিয়ে আপনারা এত নীরব কেন?” এই প্রশ্ন শুনেই উত্তেজিত হয়ে ওঠেন কল্যাণ। শুরু হয় তীব্র বাদানুবাদ। শেষে দুই দলের বাকি সাংসদদের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।