প্রতীতি ঘোষ, বারাসত: “প্রশান্ত মহাসাগর থেকে এক আধলা জল তুলে নিলে কিছু আসবে যাবে না,প্রশান্ত মহাসাগর কি ছোট হয়ে যাবে ? বাংলার কোটি কোটি মানুষ আমাদের সাথে আছে।”

রাজীব বন্দোপাধ্যায়ের মন্ত্রিত্ব ছাড়া প্রসঙ্গে এভাবেই তাঁকে কটাক্ষ করলেন বারাসাতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

শুক্রবার মধ্যমগ্রামে সয়ংসিদ্ধা প্রকল্পে শহরের গৃহহীনদের আশ্রয় স্থল সন্ধ্যার নীড় এর শুভ উদ্বোধন করে কাকলি ঘোষ দস্তিদার আরও বলেন, “রাজনৈতিক দলের যে কেউ যেখানে ইচ্ছা যেতে পারেন, তবে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা তৃণমূল কংগ্রেসকে মায়ের মতো দেখে তাই এই দল পরিবর্তন করছেন যারা, তারা যদি নিজের মাকে লাথি মারে, তবে মায়ের অন্য সন্তানরা সেই সন্তানকে ভালো চোখে দেখেন না, তাদের কাছে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবেই।”

এদিকে, বেশ কিছুদিন ধরেই দলের মধ্যেই বিক্ষুব্ধ ছিলেন বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া। সম্প্রতি লক্ষ্মীরতন শুক্লা মন্ত্রিসভা ও দল থেকে পদত্যাগ করতেই বৈশালী ডালমিয়ার ‘প্রতিবাদ’ আরও জোরালো হয়েছে। শুক্রবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিতেই প্রকাশ্যেই দলের বিরুদ্ধে আরও ক্ষোভ ব্যক্ত করেন বৈশালী। আর তারপরই দল থেকে বহিষ্কার করা হয় বৈশালীকে। যদিও শাসক দলের এই সিদ্ধান্তের পর বৈশালী জানান, ‘আমি খুশি হলাম।’যদিও দলের বিরুদ্ধে বারবার মুখে খোলাই শুধু নয়, তাঁর সঙ্গে বিজেপি ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ উঠছিল বারেবারে। গত বুধবার দক্ষিণ কলকাতায় একটি জন্মদিনের পার্টিতে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে একই অনুষ্ঠানে ছিলেন বৈশালীও। ফলে গুঞ্জন বাড়ছিলই।

এর আগে হাওড়ার তৃণমূলের জেলা সভাপতি লক্ষ্মীরতন শুক্লা তাঁর সাংগঠনিক পদ ও মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দেন। তিনিও মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শুধু খেলায় মনোনিবেশ করার বার্তায় দল ছাড়েন। হাওড়ার প্রাক্তন মেয়র রথীন চক্রবর্তীও দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন৷

এদিকে, সম্প্রতি তৃণমূলের দুই সাংসদ শতাব্দী রায় ও প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও বেসুরো সুর শোনা গিয়েছিল৷ প্রকাশ্যেই দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুজনেরই ক্ষোভ প্রশমন করতে পেরেছে দল৷ আপাতত তাঁরা দলের সঠিক ট্র্যাকেই চলছেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।