মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গোয়ালতোড়ে মাটি খুঁড়ে প্রচুর বন্দুকের হদিশ পেল পুলিশ৷ গভীর জঙ্গলে এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র কারা মজুত করে রেখেছিল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ একসাথে এত বন্দুক উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়৷

পুলিশ জানিয়েছে,গোয়ালতোড় থানার পুলিশ উখলা জঙ্গল থেকে পুরানো, মরচে ধরা এবং নষ্ট হয়ে যাওয়া ৯/১০ টি আগ্নেয়াস্ত্র মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করে। এটা বোঝা যাচ্ছে যে বেশ কয়েক বছর আগে মাওবাদী সমস্যার সময়ে অস্ত্রগুলি মাটিতে পোঁতা হয়েছিল।জঙ্গল মহল এখন শান্ত। গত ৭/৮ বছর ধরে মাওবাদী হিংসার কোনও ঘটনা ঘটেনি৷

বেসরকারি সূত্রে খবর, গোয়ালতোড়ে জেসিবি দিয়ে মাটি খুঁড়ে ৩০টি বন্দুকের হদিশ পাওয়া গিয়েছে৷ বন্দুকগুলি কম্বলে মুড়ে প্লাষ্টিক দিয়ে রাখা ছিল৷ এছাড়া মাটি খুঁড়ে বিদ্যুতের তার, টিনের কৌটোরও হদিশ মিলেছে৷

কঙ্কালকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে বন্দুক উদ্ধারে সরাসরি সিপিএমকেই দায়ী করলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়৷ অন্যদিকে বামপন্থী নেতা সুজন চক্রবর্তী পাল্টা প্রতিক্রিয়া,দশ বছর ধরে তৃণমূল কী করছিল? পুলিশ তো ওঠে বসে মুখ্যমন্ত্রীর কথায়৷ এইরকম অসভ্যের মতো কথা যেন ওঁরা আর না বলেন৷

একসময় মাওবাদীদের মুক্তাঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার জঙ্গলমহলে সংগঠনের ভিত নড়ে যায় ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে৷ গত কয়েক বছরে মাওবাদী কার্যকলাপ আস্তে আস্তে স্মৃতি হয়ে গিয়েছিল জঙ্গলমহলের মানুষের কাছে৷

কিষানজীর মৃত্যুর পর প্রথম সারিতে থাকা মাওবাদী নেতৃত্বের অনেকেই ধরা পড়ে যান৷ বাকিরাও সমাজের মূল স্রোতে ফিরতে আত্মসমর্পণ করেন৷ তারপর থেকে মাওবাদী কার্যকলাপের তেমন কোনও ঘটনা আর সামনে আসেনি৷ কিন্তু মরচে ধরা এবং নষ্ট হয়ে যাওয়া আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে ফের মাওবাদীদের কথা উঠে এলো জঙ্গলমহলে৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।