স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ১৯-এর লোকসভা ভোট তপশিলি জাতি ও উপজাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে ব্যাপক ধস নেমেছে তৃণমূলের(TMC) ভোট ব্যাঙ্কে। বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2021) আগে অনগ্রসর শ্রেণির মন জিততে তাই তৎপর হল তৃণমূল৷ তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের পর এবার উন্নয়নের সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দিতে ওবিসি(OBC) সেল গঠন করছে ঘাসফুল শিবির। খুব শীঘ্রই এই সেল গঠন করা হবে বলে জানা গিয়েছে৷

বিজেপি(BJP) নির্বাচনী প্রচারে এবারও মূল ইস্যু করতে চলেছে বাংলায় দীর্ঘ-অবহেলিত এবং শোষিত আদিবাসী ও উপজাতি সম্প্রদায়কে। ২০১৯-এর বছরের লোকসভা নির্বাচনে এই পথে হেঁটেই ১৮ আসনে জয়লাভ করেছিল বিজেপি। সেই থেকে শিক্ষা নিয়েই বিজেপি আদিবাসী ও উপজাতি সম্প্রদায়ের মধ্যে আরও বিস্তারলাভ করতে সচেষ্ট হয়েছে। তাই এবারের বির্বাচনে সমাজের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ভোটকে আলাদা আলাদাভাবে টার্গেট করছে গেরুয়া শিবির। তাদের সেই মাস্টার প্ল্যানের পালটা দিতে তৈরি তৃণমূলও। সেই দিকে নজর রেখেই এবার দলের তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির কমিটিকে আলাদা করা হল। যাতে আলাদা আলবাদা সম্প্রদায়ের মানুষকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া যায়।

সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি জারি করে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, পৃথকভাবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং জন্য কমিটি গঠন করা হল। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের নেতাদের এই কমিটিগুলির মাথায় বসানো হয়েছে। যাতে পিছিয়ে পড়া শ্রেণি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো যায়। তালিকা অনুযায়ী, তফসিলি জাতি কমিটির সভাপতি হয়েছেন ড. তাপস মণ্ডল, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন প্রতিমা মণ্ডল, অসিত কুমার মণ্ডল, নবীন চন্দ্র বাগ। এছাড়ও কমিটিতে রয়েছেন ছায়া দলাই, স্বপন বাইড়ি, মনোদেব সিনহা-সহ বহু সদস্য। তফসিলি উপজাতি কমিটির মাথায় রয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের দেবু টুডু। কমিটির অন্যান্য পদে রয়েছেন জেমস কুজুর, সুকুমার মাহাতো, পরেশ মুর্মূ, জোসেফ মুণ্ডা-সহ আরও অনেকে। উল্লেখ্য, এই প্রথমবার দলের তরফে লিখিতভাবে কমিটির সদস্যদের নাম উল্লেখ করা হল।

রাজ্য সরকারের চাকরিতে তপশিলি জাতি, উপজাতি, অন্যান্য অনগ্রসর জাতির জন্য সংরক্ষণ ইতিমধ্যে জারি রয়েছে৷ কিন্তু তারপরও গতবছরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসরদের জন্য নয়া দশ শতাংশ সংরক্ষণ চালু করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।