স্টাফ রিপোর্টার,কলকাতা: ক্যানিংয়ে তৃণমূল কর্মী খুনে এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ৷ ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিন ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের হাটপুকুরিয়া গ্রামে৷ দুষ্কৃতীরা কাছ থেকে তৃণমূল কর্মী নাজিরুদ্দিন সর্দারকে (২৮) গুলি করে খুন করে৷ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷

দক্ষিন ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের হাটপুকুরিয়া গ্রামের তেঁতুলবেড়িয়া এলাকায় তৃণমূল কর্মী নাজিরুদ্দিন সর্দারের বাড়ি৷ রবিবার রাতে তিনি কলকাতার মেটিয়াবুরুজ থেকে কাজ শেষে বাড়িতে ফিরছিলেন৷ নাজিরুদ্দিন রাতে ট্রেন থেকে বেতবেড়িয়া স্টেশনে নামেন৷ সেখান থেকে একটি মোটর বাইকে করে ফিরছিলেন৷

সূত্রের খবর, বাইকের মাঝখানে বসে ছিল নাজিরুদ্দিন সর্দার ওরফে কালো৷ পিছনে বসেছিল তার আত্মীয় সইফুদ্দিন৷ অভিযোগ, কয়েক জন দুষ্কৃতী তাদের পিছন থেকে ধাওয়া করে গ্রামে ঢোকার মুখে খেজুরতলা মোড়ের কাছে ঘিরে ধরে৷ দুষ্কৃতীরা বাইক থেকে সইফুদ্দিনকে নামিয়ে দিয়ে নাজিরুদ্দিন কে লক্ষ্য করে গুলি করে৷ একটি গুলি তার ডান পায়ে লাগলে সে মাটিতে পড়ে যায়।তারপর তাকে লক্ষ্য করে আরো দুটি গুলি চালায়। একটি গুলি তার পেটে লাগে৷ তারপর বন্দুক উঁচিয়েই এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা৷

ঘটনার পরে গুলি বিদ্ধ নাজিরুদ্দিনের সঙ্গীদের চিৎকারে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷ তারা তাকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান৷ সেখানে চিকিৎসকরা নাজিরুদ্দিন কে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷ মৃত দলীয় কর্মীকে দেখতে হাসপাতালে যান দলের নেতা ও কর্মীরা৷ পুলিশের প্রাথমিক অনুমান,পুরানো কোনও শত্রুতার ফলে এই ঘটনা ঘটতে পারে৷ তবে কী কারনে এই ঘটনা তা তদন্তের পরই বলা যাবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.