স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: উপজাতীয় ত্রিলোচন মাহাতো এবং দলিত দুলাল কুমার খুনের পর আরেক তফশীলী জাতির বিজেপি নেতা খুন হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগণায়৷ আর ওই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের জবাব, ‘‘এভাবে বিজেপি কর্মীদের শেষ করতে চাইছে … সেই তৃণমূল দল নিজেরাই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে …’’

বিজেপি সূত্রে খবর, ধানুরহাট মণ্ডল কমিটির সম্পাদক শক্তিপদ সর্দার শুক্রবার রাত ৮টা খুন হন৷ দলের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা শক্তিপদকে কুপিয়ে খুন করে পালায়৷ বছর ৪৫-এর ওই বিজেপি নেতার বাড়িতে রয়েছেন স্ত্রী ও কন্যা৷ বিজেপির আরও অভিযোগ, ধানুরহাট এলাকা দখল করার জন্যই নাশকতা চালিয়েছে তৃণমুল এবং পুলিশও ওই নেতাকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ৷

পঞ্চায়েত ভোটের পুরুলিয়াতেই দুই বিজেপি কর্মী খুন হয়েছে৷ পুরুলিয়ার বলরামপুরে বিজেপির আঞ্চলিক নেতা, কলেজ ছাত্র ত্রিলোচন মাহাতোর দেহ গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়৷ দেহে একটি পোস্টার সাঁটা ছিল৷ বিজেপি করার অপরাধেই যে ত্রিলোচনকে খুন হতে হয়েছে, তা স্পষ্ট লেখা ছিল ওই পোস্টারে৷ সপ্তাহ খানেক পরেই একই কায়দায় খুন হন দলিত বিজেপি নেতা দুলাল কুমার৷ বিদ্যুতের হাইটেনশ্যন পোলে ঝুলছিল দুলালের দেহ৷

মুকুলবাবু এদিন বলেন, ‘‘উন্নয়নের ধ্বজা নিয়ে গ্রামে গঞ্জে, উন্নয়নকারীরা দাঁড়িয়ে আছে৷ উন্নয়নের নামে আপাত নিরীহ মানুষ গুলিকে খুন করছে শাসক দল৷ খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই৷’’