স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: শাসকদল ও পুলিশ ‘এক টিমে’কাজ করছে৷ দশ ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা ধর্মঘট সফল করতে রাস্তায় শহরের নেমেছেন প্রবীন ট্রেড ইউনিয়ন এবং বাম নেতারা৷ মিছিল শুরুই হয়নি – তার আগেই রাস্তা থেকে ধর্মঘটীদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷

উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুর। যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ডে মিছিল করেন বাম সমর্থকরা। পুলিশ বাধা দিলে বচসা বেঁধে যায় বনধ সমর্থকদের সঙ্গে৷ চলে ধস্তাধ্বস্তিও৷ একটা সময় রাস্তায় বসে পড়েন সিপিএম কর্মীরা৷ ছিলেন যাদবপুরের সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীও৷

পড়ুন: ধর্মঘটে বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ের জনজীবন স্তব্ধ

মৌলালি থেকে গ্রেফতার করা হয় সিটুর রাজ্য সম্পাদক অনাদী শাহু সহ বেশ কয়েকজনকে৷ ধরপাকড়ের প্রতিবাদে তারা স্লোগান দিতে থাকেন৷ পুলিশকে প্রশ্ন করতে থাকেন‘‘মিছিল করলে কেন গ্রেফতার করা হবে?’’ সব দেখে মৌলালির মোড়ে দাঁড়ানো এক সিপিএম কর্মীর বক্তব্য, ‘‘তৃণমূলকে পুলিশ বলছে, তোর টিমে, তোর পাশে …৷’’

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য রবীন দেব বলেন, ‘‘দু-দিনের ধর্মঘটে সমর্থকদের-কর্মীদের মন ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার৷ বিজেপিকে সুবিধা করে দেওয়া হচ্ছে৷ মানুষের দাবিকে চাপার চেষ্টা করছে তৃণমূল সরকার৷ এর ফল ওদের ভুগতে হবে৷’’

পড়ুন: বনধে রাস্তায় বেরিয়েই মিলল ফুল ও লজেন্স

বাম কর্মীদের অভিযোগ, রাস্তার ধারে যারা দাড়িয়ে পতাকা দেখাচ্ছিলেন, পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে৷ ওই কর্মীরা বাস পোড়াতে যায়নি৷ ভাঙচূরও করতে যায়নি৷ তবে কীভাবে-কেন তাদের গ্রেফতার করা হল? অন্যদিকে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘‘ধর্মঘটীরা আসছেন৷ পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করছেন৷ পুলিশের গাড়িতে করে চলে যাচ্ছেন৷ শহর শান্তিপূর্ণ৷’’