ওয়াশিংটন: আতঙ্কে কাঁপতে থাকা আমেরিকাতেই প্রথম শুরু হল মারণ করোনাভাইরাস প্রতিষেধক হিসেবে টিকা দানের পরীক্ষা। এক মার্কিন মহিলার দেহে সেটি প্রয়োগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে কিউবার দাবি তাদের তৈরি ওষুধের প্রয়োগে চিনে কমেছে মৃত্যুর হার।সতবে প্রতিষেধক তৈরির দাবি নিয়ে বিতর্কের মাঝে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু জানিয়েছে, এই ভাইরাসের কোনও প্রতিরোধক ওষুধ বের হয়নি এখনও।

মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট, করোনাভাইরাসের প্রথম ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলকভাবে জেনিফার হলার নামে এক মহিলার দেহে প্রয়োগ করা হয়েছে। সিয়াটলের বাসিন্দা জেনিফার ৩৪ বছর বয়সী। দুই সন্তানের জননী।

বিবিসি জানাচ্ছে সোমবার থেকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হয়েছে। সিয়াটলের একটি কমিউনিটির সদস্যরা সবার আগে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলকভাবে গ্রহণের জন্য নির্বাচিত হন। সেই ভ্যাকসিন গ্রহণকারীদের মধ্যে প্রথম স্বেচ্ছাসেবক হলেন হলার।

সিয়াটলের কায়সার পারমানেন্তে ওয়াশিংটন রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে টিকা নেন হলার। তিনি বলেছেন, ‘টিকা নেওয়ার পর আমি খুব ভালো আছি। আমার হাতে যন্ত্রণা হয়নি।’

এই ভ্যাকসিনটি নিরাপদ বলেই জানাচ্ছে বিভিন্ন গবেষনা। পরীক্ষামূলকভাবে তিনটি ধাপ পেরোতে হবে। প্রথম পর্ব ভালোভাবে পেরিয়ে গেলে আগামী দেড় বছরের মধ্যে তা সাধারণের ব্যবহারের উপযোগী হতে পারে।

এদিকে করোনাভাইরাসের হামলায় বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৭১০০ জন। ১ লক্ষ ৮২ হাজার মানুষ সংক্রামিত। চিনেই মৃত সর্বাধিক তিন হাজারের বেশি। এর পর ইতালিতে মৃত হাজার পেরিয়েছে আগেই।

ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশে ছড়াতে শুরু করেছে করোনা। ব্যতিক্রম ভুটান। করোনা আক্রান্ত দুই দেশ চিন ও ভারতের মাঝে থেকেও মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত এই দেশে কোনও করোনা রোগী নেই। এদিকে ১৪০টির বেশি দেশে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস।