নয়াদিল্লি: বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার ‘খোঁচা’ খেয়ে গর্জে উঠেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। নাড্ডার উদ্দেশে সাংবাদিক বৈঠকে তাচ্ছিল্যের সুরে রাহুলের পাল্টা প্রশ্ন, ‘‘জে পি নাড্ডা কে, যে ওঁর প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে? উনি কি আমার অধ্যাপক?’’ বুধবার রাহুলকে এর পাল্টা জবাব দিল বিজেপি৷ টুইটারে ট্রেন্ডিং হল ‘‘I am J P Nadda’’৷

সীমান্ত পেরিয়ে অরুণাচল প্রদেশের একটি অংশ দখল করে চিনের গ্রাম তৈরি করার খবর নিয়ে সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদীর সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাহুল। তার প্রেক্ষিতেই রাহুল গান্ধীকে নিশানা করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। রাহুলকে কটাক্ষ করে তাঁর উদ্দেশে একগুচ্ছ প্রশ্ন ছুড়ে দেন নাড্ডা। বলেন, ‘‘এখন রাহুল গাঁন্ধী ছুটি কাটিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন। আমি ওঁকে কতগুলি প্রশ্ন করতে চাই। আমার আশা, উনি আজকের সাংবাদিক বৈঠকে এগুলির উত্তর দেবেন।’’ এর পরেই নাড্ডার প্রশ্ন, ‘‘আর কত দিন রাহুল গাঁন্ধী, তাঁর বংশ এবং কংগ্রেস-চিন নিয়ে মিথ্যা বলে যাবেন? উনি কি অস্বীকার করতে পারেন, যে অরুণাচল প্রদেশের কথা উনি বলছেন, তার কয়েক হাজার কিলোমিটার এলাকা চিনকে উপহার দিয়েছিলেন পণ্ডিত নেহরু? কংগ্রেস কেন চিনের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল?’’ এ নিয়ে রাহুল দ্বিচারিতা করছেন বলেও অভিযোগ তোলেন নাড্ডা।

অন্য একটি টুইট বার্তায় কৃষি আইন নিয়ে প্রশ্ন তোলায় কংগ্রেসকে নিশানা করেছিলেন জগ‍ৎপ্রকাশ নাড্ডা।তিনি বলেছিলেন কংগ্রেস আন্দোলনকারী কৃষকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।আর সেই সূত্র ধরেই তিনি জানতে চেয়েছেন কবে কংগ্রেস ভারতীয় কৃষকদের উস্কানি দেওয়া বন্ধ করবে। এবিষয়ে মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে নাড্ডার প্রশ্ন নিয়ে দৃশ্যতই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন রাহুল। ঝাঁঝালো সুরে বলেন, ‘‘উনি কে, যে ওঁর প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে?’’

এদিন বিজেপির একাধিক নেতা রাহুলকে আক্রমণ করেন৷ তাঁদের মধ্যে চড়া সুরে রাহুলকে টুইটারে কটাক্ষ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের বিজেপির রাজ্য সভাপতি৷ টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘‘আমরা আপনার জ্ঞানভাণ্ডারের পরিচয় আগেই পেয়েছি৷ কিন্তু আপনি জানতে চেয়েছেন, কে জে পি নাড্ডা? এটা অত্যন্ত অপরিনতর মতো কথা৷ যাই হোক, আপনাকে জানিয়ে রাখি ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা জেপি নাড্ডা, যিনি কংগ্রেসকে ভারতের ম্যাপ থেকে ভ্যানিশ করে দিয়েছেন৷ আশা করি, তাঁর পরিচয় দেওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।