যে বাড়ির লোকেদের মন মেজাজই ঠিক নেই, সেই বাড়ির শ্রী-বৃদ্ধি হবে, এমনটা আশা করা বোধহয় ঠিক না। কারণ মনের প্রশান্তি আসলে তবেই বাড়ির প্রত্যেকে নিজের নিজের কাজ ঠিক ভাবে করতে পারবে। আর তাহলেই সংসারের উন্নতি হবে। তাহলে আগে নিজেকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে হবে।

আর মনকে সতেজ রাখতে হলে সবুজের চেয়ে উপকারী বোধহয় আর কিছু নেই। না সবুজ বলতে এখানে রং না, বোঝানো হচ্ছে নানান গাছকে। অনেকেই জানেন না, কিন্তু বর্তমানে বেশ কিছু মানুষ বাড়ি বা ফ্ল্যাট সাজাতে বেছে নিচ্ছেন গাছকে। যার জেরে উত্তরোত্তর চাহিদা বাড়ছে এই সব ঘর সাজানোর গাছের।

 

এই গাছের মধ্যে কী নেই। ক্যাকটস থেকে শুরু করে ফুলের গাছ, পাতাবাহার থেকে শুরু করে মিনি ফুলের গাছ বা লাকি বাম্বু-তাতে লাক আসুক না আসুক, ঘর কিন্তু দারুণ সেজে ওঠে। আসুন দেখে নেওয়া যাক, কেমন ধরনের গাছ আমরা ব্যবহার করতে পারি, আর কোনগুলি পারি না।

আপনি চাইলে ডাইনিং-এ গাছ রাখতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে লম্বা গাছ রাখতে হবে। যা প্রায় ৬ ফুট বা ৭ ফুট সরু ধরনের পাহাড়ি গাছ হতে পারে। সোফার কোনে, ঘরের কোনায় গাছটিকে রাখতে পারে। টবের নীচে অবশ্যই একটি থার্মোকল দিয়ে নেবেন। এছাড়া ডাইনিং-এর দেওয়ালে তাক থাকলে সেখানে নানান ছোট গাছ রাখতে পারেন।

 

বেডরুমে আপনি বেশি উঁচু গাছ লাগাবেন না। বাহারি সবুজ গাছ লাগান। দেখবেন কাঁটা থাকলে দূরে রাখুন। টবে রাখতে পারেন। খাটের পাশে রেখে দিন। সুন্দর লাগবে।

ব্যালকনি থাকলে তো পোয়াবারো। ব্যালকনিতে সবুজ সজ্জা নতুন কিছু না। ছোট বড় নানান মাপের টবে গাছ লাগিয়ে অনেকেই ব্যালকনিকে একটি বাগানের রূপ দেয়। এর সঙ্গে আর একটি কাজ করুন, কোনও লতানো ফুলের গাছকে ব্যালকনিতে রাখুন। সেটি বেয়ে ওপরে উঠলে ও তাতে ফুল ধরলে বাইরে থেকে আপনার ফ্ল্যাটকে দুর্দান্ত লাগবে। জানালায় কিছু ছোট ছোট ফুল গাছও রাখতে পারেন, খেয়াল রাখুন যেন পর্যাপ্ত আলো আসে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।