গ্যাংটক: বেড়াতে যেতে কার না ভাল লাগে! অফিসে দু’দিনের ছুটি পেলেই মন ডানা মেলে উড়তে চায় অচেনা দিগন্তের ক্যানভাসে। শীতের ভ্রমণ নিয়ে আলাদা একটা উন্মাদনা কাজ করে ভ্রামণিকদের মধ্যে। কারণ, শীতকালেই সব চেয়ে স্পষ্ট দেখা যায় ল্যান্ডস্কেপ। ভ্রমণ রসিকরা তাই বেরিয়ে পড়েন জঙ্গলে পাহাড়ে।

এবার শীতে আপনার ভ্রমণ গন্তব্য হতে পারে হিমালয়ের কোলে ছোট্ট গ্রাম সাজং। নৈসর্গিক শোভার কারণেই এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা। ছবির মতো সুন্দর এক গ্রাম। পাহাড়ি পরিবেশ মন ভাল করে দেয়। সিকিমের রাজধানী গ্যাংটক থেকে সাজংয়ের দূরত্ব ২৪ কিলোমিটার। পাহাড়ি নির্জনতায় এলোমেলো ঘুরে বেড়ালে মনে আসবে প্রশান্তি। পর্যটকদের কাছে এখন পরিচিত হয়ে উঠছে সাজং। সাঁতার জানলে রে-খোলা নদীর জলে মেতে উঠতে পারেন।

এখানে গেলে মন হয়ে উঠবে চনমনে। জায়গাটি নির্জন এবং কোলাহলমুক্ত। সিকিমের পাহাড়ি প্রকৃতি বহুদিন ধরেই পর্যটকরা উপভোগ করে আসছেন। সকালবেলায় অজস্র পাখির ডাক কানে আসবে। তাই পক্ষীপ্রেমীদের কাছেও প্রিয় হয়ে উঠেছে জায়গাটি। গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে অর্কিড। কৃষিকাজ এখানকার বাসিন্দাদের প্রধান জীবিকা। পাহাড়ের ধাপে ধাপে চাষ হয়। রয়েছে একটি মনাস্ট্রি। এছাড়া আছে অর্কিড মিউজিয়াম– যা আপনার ভাল লাগবেই। সমগা লেক সাজংয়ের শোভা বাড়িয়েছে।

শিয়ালদহ থেকে রাত ৮টা বেজে ৩০ মিনিটের ১৩১৪৯ কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস ধরুন। পরদিন সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন নামুন। সেখান থেকে ভাড়া গাড়িতে সাজং। স্টেশনের বাইরেই মিলবে ভাড়া গাড়ি। বিমানে যেতে চাইলে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে বাগডোগরায় নামুন। সেখান থেকে গাড়িতে যাওয়া যায়। এখানে এখন গড়ে উঠেছে নানা রিসোর্ট। আগে থেকে বুক করে রাখাই ভাল। তাহলে আর দেরি কেন? আজই আপনার ট্যুর প্ল্যান করে ফেলুন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ