বিশেষ প্রতিবেদন: প্রতিদিনের কাজের চাপে জীবন হয়ে ওঠে একঘেয়ে। উইকএন্ডে তাই বেড়িয়ে পড়তে ইচ্ছে করে অচেনা দিগন্তের ক্যানভাসে। হোক ছোট্ট ছুটি! তবু, প্রকৃতির স্বাদ নেওয়া চাই। প্রকৃতির সংস্পর্শেই মন হয়ে ওঠে চনমনে। সে কারণেই সুযোগ পেলেই মন ডানা মেলে উড়তে চায় প্রকৃতির কাছে।

আগামী ছুটিতে আপনার ভ্রমণ গন্তব্য হোক মণিকরণ। এখানে বেড়াতে গেলে মন হয়ে উঠবে চনমনে। মানালি থেকে কুলু যাবার পথে বিয়াস নদীকে সঙ্গী করে পৌঁছে যাওয়া যায় শিখদের ধর্মক্ষেত্র মণিকরণে। গুরুদুয়ারের সামনেই রয়েছে পার্বতী নদীর উষ্ণ প্রস্রবণ। এখানে নেমে সান করেন অনেক ভক্ত। প্রস্রবণের জন প্রবল উষ্ণ। ওপরে লাগানো রয়েছে ঠাণ্ডা জলের পাইপ।

বেড়াতে যাওয়া বাঙালির প্রিয় অভ্যাস। সিমলা মানালি বহুদিন ধরেই পর্যটন মহলে সুপরিচিত। স্নো ফলের জন্য এখানে পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এছাড়া ছড়িয়ে রয়েছে আদিগন্ত প্রকৃতি। যারা অফবিট ভ্রমণ ভালবাসেন, তাদের ভীষণ ভাল লাগবে মণিকরণ। চারদিকে সুউচ্চ পাহাড়। তারই মাঝে শিখদের ধর্মক্ষেত্র। জায়গাটি সব ধর্মের মানুষের কাছেই প্রিয় ভ্রমণক্ষেত্র।

এখানে বেড়াতে গিয়ে এক অদ্ভুত অ্যাডভেঞ্চারে মেতে উঠতে পারেন। বিয়াস নদীর দুরন্ত জলে নৌভ্রমণে ভেসে বেড়াতে পারেন। মূলত অ্যাডভেঞ্চার-প্রেমীরা এই ভ্রমণের স্বাদ নেন। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই পরে নিতে হবে লাইফ জ্যাকেট। এখান থেকে সোজাসুজি চলে যান কালাসে। পাহাড়ি রাস্তার নৈসর্গিক দৃশ্য আপনাকে মুগ্ধ করবেই।

পাহাড়ের মাঝখান দিয়েই বয়ে গিয়েছে পার্বতী নদী। রয়েছে দোলনা সেই। সম্প্রতি এই সেতু হয়ে উঠেছে সেলফি জোন। কথিত আছে, ১৫৭৪ সালে এখানে গুরুনানক আসেন। মাথায় কাপড় দিয়ে এখানে প্রবেশ করার নিয়ম। কুলু থেকে মণিকরণ মাত্র ৪৫ কিলোমিটার দূরে। থাকার জন্য রয়েছে একাধিক ধর্মশালা। থাকতে পারেন গুরুদুয়ারা ধর্মশালায়। ফোন নম্বর ০১৯০২-২৭৩৮২১।