গ্যাংটক: বেড়াতে যেতে কার না ভাল লাগে! অফিসে দু’দিনের ছুটি পেলেই মন ডানা মেলে উড়তে চায় অচেনা দিগন্তের ক্যানভাসে। শীতের ভ্রমণ নিয়ে আলাদা একটা উন্মাদনা কাজ করে ভ্রামণিকদের মধ্যে। কারণ, শীতকালেই সব চেয়ে স্পষ্ট দেখা যায় ল্যান্ডস্কেপ। ভ্রমণ রসিকরা তাই বেরিয়ে পড়েন জঙ্গলে পাহাড়ে।

এবার শীতে আপনার ভ্রমণ গন্তব্য হতে পারে পশ্চিম সিকিমের হি-বারমিওক। নৈসর্গিক শোভার কারণেই এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা। ছবির মতো সুন্দর এক গ্রাম। পাহাড়ি পরিবেশ মন ভাল করে দেয়। কাছাকাছির মধ্যে ঘুরে নিন মারতাং, রিনচেনপং, কালুক। এখানে থোকা থোকা রডোডেন্ড্রেন আপনাকে স্বাগত জানাবে। পাহাড়ি নির্জনতায় এলোমেলো ঘুরে বেড়ালে মনে আসবে প্রশান্তি।

এখানে গেলে মন হয়ে উঠবে চনমনে। জায়গাটি নির্জন এবং কোলাহলমুক্ত। সিকিমের পাহাড়ি প্রকৃতি বহুদিন ধরেই পর্যটকরা উপভোগ করে আসছেন। যারা অফবিট ভ্রমণ ভালবাসেন তাদের খুব ভাল লাগবে জায়গাটি। সকালবেলায় অজস্র পাখির ডাক কানে আসবে। তাই পক্ষীপ্রেমীদের কাছেও প্রিয় হয়ে উঠেছে জায়গাটি।

পৃথিবীর এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে কোনও যানবাহন পৌঁছয় না, পায়ে হেঁটে পৌঁছতে হয়। হি-বারমিওক এমন একটি জায়গা– যেখান থেকে প্রকৃতির সান্নিধ্য নিতে পারেন পায়ে হেঁটে। রয়েছে কয়েকটি ট্রেক রুট। ট্রেক করে বার্সেতে যেতে পারেন। সেখানে রয়েছে রডোডেন্ড্রন স্যাংচুয়ারি। এশিয়ার দ্বিতীয় উচ্চতম শিংশোর ব্রিজে এখন থেকে বেশি দূরে নয়।

শিয়ালদহ থেকে রাত ৮টা বেজে ৩০ মিনিটের ১৩১৪৯ কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস ধরুন। পরদিন সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন নামুন। সেখান থেকে ভাড়া গাড়িতে সোজা হি-বারমিওক। স্টেশনের বাইরেই মিলবে ভাড়া গাড়ি। এখানে এখন গড়ে উঠেছে নানা হোম স্টে। আগে থেকে বুক করে রাখাই ভাল। তাহলে আর দেরি কেন? আজই আপনার ট্যুর প্ল্যান করে ফেলুন।