বিশেষ প্রতিবেদন: দিল্লি গিয়েছেন, সেখান থেকে আগ্রায় গিয়েছেন তাজমহল দেখতে। কিন্তু জানেন কি, আগ্রা থেকে সামন্য দূরেই রয়েছে এক ইতিহাস সমৃদ্ধ জায়গা। তাই এবার পুজোয় আপনার ভ্রমণ গন্তব্য হোক ফতেহপুর সিক্রি। আগ্রা থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৩৬ কিলোমিটার। ১৫৬৯ সালে ফতেহপুর সিক্রি ছিল সম্রাট আকবরের রাজধানী। ফতেহপুর সিক্রি জুড়ে রয়েছে পাথর আর পাথর।

দালানে দালানে লেগে আছে ইতিহাসের ছাপ। এখনকার দুর্গগুলি বেলে পাথর দিয়ে তৈরি। রয়েছে রক্তবর্ণ প্রাসাদ। এই প্রাসাদের মূল ফটকের উচ্চতা ৫৪ ফুট। সেই কারণে বুলন্দ দরওয়াজাকে এশিয়ার সব থেকে উঁচু তোরণদ্বার হিসেবে গণ্য করা হয়। জায়গাটির চারপাশ দেখার মতো সুন্দর। একা একা হেঁটে ঘুরে বেড়ালে মনে আসে প্রশান্তি। ফতেহপুর সিক্রিতে থাকার জায়গা নেই। তাই সকালবেলায় ঘুরে রাতের মধ্যে আগ্রায় ফিরে আসতে হয়। আগ্রা থেকে প্রচুর ভাড়ার গাড়ি পাওয়া যায় ফতেহপুর সিক্রি যাওয়ার জন্য। ভাড়া পড়বে ৩০০০-৪০০০ টাকার মধ্যে।

এখানে রয়েছে মসজিদ, স্নানাগার, স্মৃতি সৌধ, অট্টালিকা ইত্যাদি। এখানে গেলে দেখতে পাবেন সম্রাট আকবরের ইবাদতখানা ‘দীন-ই-ইলাহি’। এর সামনে ট্যুরিস্ত গাইড দাঁড়িয়ে থাকেন। তাঁদের সাহায্য নিয়ে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ জানা যায়। রয়েছে সেলিম চিশতির মাজার। সম্পূর্ন মাজারটি শ্বেত পাথর দিয়ে বানানো। যা পর্যটকদের ভিড় টানে। ফতেহপুর সিক্রিতে রয়েছে ভাস্কর্যে ভরা জামে মসজিদ।

এই মসজিদের দরজাগুলি দেখার মতো সুন্দর। কথিত আছে এখানে সম্রাট আকবর নামজ পড়তে আসতেন। সামনেই পুজো। তাহলে আর দেরি কেন? সময় থাকতে টিকিট কেটে ফেলুন। এবার পুজোয় আপনার ভ্রমণ গন্তব্য হোক ইতিহাসের গন্ধ মাখা ফতেহপুর সিক্রি থেকে।