স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া : করোনা ও দীর্ঘ লকডাউনের জেরে প্রবল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এদেশের পর্যটন ব্যবসা। করোনার জেরে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল বিভিন্ন পর্যটন স্থল,হোটেল। সরকারি নির্দেশ মেনে পর্যটন কেন্দ্র ও হোটেল খুললেও ভ্রমণপিপাসু মানুষও এই পরিস্থিতিতে বাইরে বেড়াতে যাওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত অসংখ্য মানুষ। পর্যটন ব্যবসা সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে বুধবার হাওড়া স্টেশনের বাইরে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে সামিল হল ‘হাওড়া ট্রাভেল এজেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন’-এর সদস্যরা। তাঁদের দাবি, সরকার অবিলম্বে ট্রেন ও বিমান পরিষেবা স্বাভাবিক করুক।

পর্যটকদের কাছে পর্যটন ব্যবসায়ীদের আর্জি, ‘আপনারা আসুন।আমরা সমস্ত রকম স্বাস্থ্যবিধি মেনে আপনাদের পরিষেবা দিতে প্রস্তুত।’ এর পাশাপাশি,দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তাঁরা। শুধু হাওড়াই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আজ এই অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

করোনা মহামারীতে সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছে রাজ্যের পর্যটন শিল্প। প্রায় ৬ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে পাহাড় থেকে সমুদ্র সব পর্যটন কেন্দ্রগুলি। পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত যাঁরা তারা গভীর সংকটে পড়েছে। বন্ধ রয়েছে হোটেল থেকে শুরু করে পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত গাড়ির ব্যবসাও। গাইডরাও কাজ পাচ্ছেন না। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই পাহাড় ছন্দে ফেরার চেষ্টা করছে। সামনেই দুর্গাপুজো। স্বাভাবিক নিয়মে সেপ্টেম্বর থেকেই শুরু হয়ে যায় পাহাড়ে পর্যটন। পুজোর সময় পর্যটকদের ভিড়ে ঠাসা থাকে পাহাড়। যদিও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বৈঠকে বসছে জিটিএ।

করোনা সংকটের কারণে পর্যটন শিল্পের কঠিন পরিস্থিতি। জিটিএ ৭ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে খুব বেশি হলে ১০ তারিখ থেকেই খুলে যাবে পাহাড়ের সব পর্যটন কেন্দ্র। নিউ নর্মালের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নতুন করে সেদে উঠছে দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং, মিরিক। দুর্গাপুজোয় এবার তেমন জাঁক জমক হবে না শহরে। তাই অনেকেই মুখিয়ে রয়েছেন বেড়াতে যাওয়ার জন্য। শুধু মাত্র জিটিএ-র গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষা। তার পরেই খুলে যাবে পাহাড়ের সব পর্যটন কেন্দ্রগুলি। তবে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক না হলে একটু সমস্যা রয়েই যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।