কলকাতা: রাউন্ড রবিন লিগের শেষ দু’ম্যাচে দুরন্ত জয়ে সুপার সিক্স নিশ্চিত করলেও সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচে ট্রাউ’য়ের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে গেল মহামেডান স্পোর্টিং। বিদ্যাসাগর সিং’য়ের হ্যাটট্রিকে ভর করে ব্ল্যাক প্যান্থার্সদের ৪-০ গোলে পরাজিত করল মণিপুরের দলটি। প্রথমার্ধেই তিন গোল তুলে নিয়ে জয় একপ্রকার নিশ্চিত করে ফেলে টিডিম রোড অ্যাথলেটিক ইউনিয়ন। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে কলকাতার ক্লাবটির কফিনে আরও একটি পেরেক পুঁতে দেয় তারা।

এদিন শুরু থেকেই বল পজেশন নিজেদের দখলে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল শুরু করে ট্রাউ। যদিও ম্যাচে প্রথম সুযোগটি এসেছিল শংকরলাল চক্রবর্তী প্রশিক্ষণাধীন দলের কাছেই। চতুর্থ মিনিটে ভ্যানলালবিয়া ছাংতের ক্লোজ-রেঞ্জ শট রক্ষা করেন ট্রাউ গোলরক্ষক অমৃত গোপে। এরপর বাকি সময়টা ট্রাউ’য়েরই দাপট। মহামেডান রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ শানিয়ে ২৯ মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোলটি তুলে নেয় ট্রাউ। কোমরন তুরসনভের ফ্রি-কিক মহামেডান গোলরক্ষক শুভম রায় আংশিক প্রতিহত করলে ফিরতি বল জালে রাখেন ফাল্গুনী সিং।

প্রথম গোলটির ক্ষেত্রে মহামেডান রক্ষণের ত্রুটি থাকলেও ৩৯ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি বিদ্যাসাগর সিং’য়ের বিশ্বমানের দূরপাল্লার শট থেকে। প্রতি-আক্রমণ থেকে দ্বিতীয় গোলটি তুলে নেয় ট্রাউ। তিন মিনিট বাদে তৃতীয় গোল করে ম্যাচ কার্যত নিজের দখলে নিয়ে নেয় ট্রাউ। কোমরন তুরসনভের থ্রু বল ধরে মহামেডান গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ফলাফল ৩-০ করেন বিদ্যাসাগর। চলতি আইলিগে এটি তাঁর সপ্তম গোল।

৬৫ মিনিটে দলের হয়ে চতুর্থ গোল এবং নিজের হ্যাটট্রিক গোলটি তুলে নিয়ে মহামেডানের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন লাল-হলুদের প্রাক্তনী বিদ্যাসাগর। এক্ষেত্রে ফের একবার কোমরন-বিদ্যাসাগরের যুগলবন্দি চোখে পড়ে। তাজিকিস্তান জাতীয় দলের ফুটবলারটি ডানপ্রান্ত থেকে একটি আলতো ক্রস রাখেন বিদ্যাসাগরের জন্য। বক্সের মধ্যে সেই বল চেস্ট ট্র্যাপ করে বাঁ-পায়ের মাটি ঘেঁষা শটে তা জালে রাখেন বিদ্যাসাগর।

উল্লেখ্য, রাউন্ড রবিন লিগের শেষ ম্যাচে পেদ্রো মাঞ্জির জোড়া গোলে জয় নিশ্চিত করেছিল ব্ল্যাক প্যান্থার্সরা। ডু অর ডাই ম্যাচ জিতে সুপার সিক্স তথা চ্যাম্পিয়নশিপে পৌঁছনো সাদা-কালোর কাছে এই হার স্বাভাবিকভাবেই বড় ধাক্কা। এদিন কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন স্প্যানিশ স্ট্রাইকার মাঞ্জি। এই হারের পর চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় ম্যাচে রাউন্ডগ্লাস পঞ্জাবের বিরুদ্ধে শংকরলালের দল কীভাবে ফিরে আসে, এখন সেটাই দেখার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।