নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গড়করী জানিয়েছেন, তাঁর মন্ত্রক সম্মতি দিয়েছে সেই সব পুরনো গাড়ির উপর ‘গ্রীণ ট্যাক্স’ বসানোর যেগুলি পরিবেশ দূষিত করছে। এরপর এই প্রস্তাব রাজ্যগুলির কাছে পাঠানো হবে তাদের মতামত নেওয়ার জন্য তারপরে এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে ।ওই প্রস্তাব অনুসারে ‘গ্রীণ ট্যাক্স’ বসানো হবে পরিবহণের ওইসব যানের উপর যদি তা ৮ বছরের বেশি পুরনো হয়। তখন ফিটনেস সার্টিফিকেট পুনর্নবীকরণ করার সময় ১০-২৫ শতাংশ রোড় ট্যাক্স বসানো হবে। ব্য়ক্তিগত গাড়ি হলে তা যদি ১৫ বছরের পুরোন হয় তখন ওই একই হারে কর চাপবে রেজিস্টেশন সার্টিফিকেট নবীকরনের সময়।

গণ পরিবহণের যান, যেমন-বাস তাদের ক্ষেত্রে অবশ্য কম হবে ‘গ্রীণ ট্যাক্স’।যদি খুবই দূষণযুক্ত শহরে বাসটি নথিভুক্ত করা হয়ে থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে অবশ্য ‘গ্রীণ ট্যাক্স’ বেশি হারে হবে (৫০ শতাংশ হারে রোড ট্যাক্স) এবং কোন ধরনের গাড়ি এবং কোন জ্বালানি ( পেট্রোল নাকি ডিজেল)তার উপর নির্ভর করে করের হার ধার্য হবে।

হাইব্রিড, ইলেকট্রিক গাড়ি এবং বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করা যেমন কম্প্রেস ন্যাশানাল গ্যাস, ইথালন এবং লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের ক্ষেত্রে অবশ্য ছাড় থাকছে । তাছাড়া কৃষিতে ব্যবহৃত যান যেমন- ট্রাক্টর,হারভেস্টর এবং টিলারের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের ধারণা এই পদক্ষেপের ফলে সাধারণ মানুষ সেই সব গাড়ি ব্যবহার করবে না যা পরিবেশে দূষণ ছড়ায় এবং লোকজন সেই সব নতুন গাড়ি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকবে যা তুলনায় কম দূষণ ছড়ায়। তাছাড়া ‘গ্রীণ ট্যাক্স’ বাবদ যা আদায় হবে তা রাখা হবে আলাদা একটি অ্যাকাউন্টে দূষণ মোকাবিলার জন্য এবং রাজ্যগুলি নজরদারি চালাবে এই দূষণ কতটা কি নির্গত হচ্ছে সেদিকে বলে সরকারি বিবৃতিতে জানা গিয়েছে ।

গড়করী অনুমোদন করেছে সরকারের বিভিন্ন দফতর এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার মালিকানাধীন ১৫ বছরের বেশি পুরনো গাড়ি গুলিকে অনথিভুক্ত করে তা স্ক্রাপে পরিণত করা হবে। প্রস্তাবটি ২০২২ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকরী করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। দেখা গিয়েছে বাণিজ্যিক গাড়ি গুলি যা গোটা গাড়ির ৫ শতাংশ সেগুলি থেকেই ৬৫-৭০ শতাংশ দূষণ নির্গত হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।