কলকাতা : কলকাতায় প্রথমবার হল মিস্টার অ্যান্ড মিস্ ট্রান্স ট্যালেন্ট। কুইন্স এন্টারটেনমেন্টের উদ্যোগে এই ট্যালেন্ট হান্ট হল। তবে এই প্রতিযোগিতা হল অনলাইন প্লাটফর্মে। এর প্রধান উদ্যোক্তা মিস্টার তনবীর খান।

তনবীর খান জানিয়েছেন , ‘রুপান্তরকামী নারী ও পুরুষরা এই লকডাউন পরিস্থিতিতে যাতে একটু মুখে হাসি ফোটাতে পারে এবং সমাজের কাছে তাদের অন্তরের সাংস্কৃতিক গুণাবলী গুলো তুলে ধরতে পারে সেটাই ছিল একমাত্র উদ্দেশ্য। এখানে বিচারকের ভূমিকায় ছিলেন চিত্র পরিচালক রামকমল মুখার্জী, রুকসানা এ কাপাডিয়া, মিস ইন্ডিয়া সুস্মিতা রায় ,রুপান্তরকামী আইনজীবী ও নৃত্যশিল্পী মেঘ সায়ন্তনী ঘোষ, রুপান্তরকামী সমাজকর্মী রঞ্জিতা সিনহা ,নৃত্যশিল্পী অভিরূপ সেনগুপ্ত ও কো-অর্ডিনেট করেন রুপান্তরকামী পুরুষ পিকু রায়চৌধুরী।’

তিনি আরও জানিয়েছে, ‘মোট ৩টি বিভাগে এই ট্যালেন্ট হান্ট হয়। নৃত্য, আবৃত্তি ও গান। প্রত্যেকটি বিভাগ থেকে একজন করে রপান্তরকামী নারী ও পুরুষ জয়ী হন। এই রুপান্তরকামী পুরুষদের মধ্যে অদ্রিজ বসু, জেডি সরকার ও রুদ্রাভ বসু আর রুপান্তরকামী নারীদের মধ্যে সৌমিয়া বসু, নীল পাল ও রাজ দাস জয়ী হন। খুব শীঘ্রই তাদের সম্মানিত করা হবে। কুইন্স এন্টারটেনমেন্ট এর মূল লক্ষ্য হল এই ডিজিটাল অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে রুপান্তরকামী মানুষদের গুনগুলো সমাজের সামনে তুলে ধরা ও সাংস্কৃতির জগতে তাদের সম্মানিত করা। কারণ আমরা মনে করি সবার আগে আমরা মানুষ এটাই একমাত্র পরিচয় হৃওয়া উচিত।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.