নয়াদিল্লি: নিজামুদ্দিনের জমায়েত থেকে দেশের একাধিক রাজ্যে গিয়েছেন অনেকে। আর তাঁদের মধ্যেই শাতধিক সংক্রমণ ধরা পড়েছে ইতিমধ্যেই। শুধুমাত্র তামিলনাড়ুতেই ৫০ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও অনেকেই এসেছেন ওই জমায়েত থেকে, চলছে পরীক্ষা।

যত দূর জানা গিয়েছে, ট্রেনে করেই বাড়ি ফিরেছিলেন তাঁরা। আর সেইসব ট্রেনের যাত্রীদেরও চিহ্নিত করা হবে। ১৩ থেকে ১৯ মার্চ ওইসব ট্রেন দিল্লি থেকে ছেড়েছিল।

যেসব ট্রেনগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলি হল, গুন্টুর থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ যাওয়া দুরন্ত এক্সপ্রেস, চেন্নাই পর্যন্ত যাওয়ার গ্র্যান্ট ট্রাঙ্ক এক্সপ্রেস, চেন্নাই পর্যন্ত তামিলনাড়ু এক্সপ্রেস, দিল্লি-রাঁচি রাজধানী এক্সপ্রেস ও এপি সম্পর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস।

বিগত কয়েকদিন ধরে খোঁজ নেই নিজামুদ্দিনের মওলানা সাদের। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ আগেই নোটিশ দিয়েছিল তাঁকে। কিন্তু ২৮ মার্চ থেকেই তিনি বেপাত্তা। মওলানা সাদ ছাড়াও আরও ৭ জনের নাম রয়েছে এফআইআরে। আরও যাঁদের নাম রয়েছে তাঁরা হলেন ড. জিশান, মুফতি শেহজাদ, এম সইফি, ইউনুস, মহম্মদ সলমন, মহম্মদ আশরফ প্রমুখ। আপাতত মওলানা সাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, মহামারী আইন ভাঙার জন্য মামলা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

গত ৩৬ ঘণ্টা মার্কাজ থেকে ২৩৬১ জনকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬১৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুরো এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। এখান থেকে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়েছেন মানুষজন। ফলে সব রাজ্যকেই কড়া নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই ধর্মসভায় যাঁরা অংশ নিয়েছিলেন তাঁরা শহরের ১৬টি মসজিদে ছিলেন। এঁদের মধ্যে কেউ এদেশের বাসিন্দা। আবার বিদেশ থেকে এসেও যোগ দিয়েছিলেন অনেকে। তাই দিল্লি পুলিশ স্পেশাল ব্রাঞ্চ মঙ্গলবার দিল্লির সরকারকে এই বিষয় তৎপর হয়ে পদক্ষেপ করার জন্য আবেদন করেছে।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে যাঁরা এই জমায়েতে অংশ নিতে গিয়েছিলেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। অতি দ্রুত তাঁদের কোভিড পরীক্ষা করানো হবে এবং ১৪ দিনের জন্য তাঁদের আবশ্যিক কোয়ারান্টাইনে পাঠানো হবে। এ দিন নিজামুদ্দিনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নবান্ন থেকে বেরিয়ে লালবাজারে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে পুলিশ কমিশনার-সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও